ads

জেনে নিন ভ্রাম্যমান খাবারের দোকানে লাভ করার উপায়

চলুন আজ আমরা ভ্রাম্যমান খাবারের দোকানে লাভ করার জন্য গুরুত্বপূর্ণ কিছু বিষয় জেনেনি। একটি ব্যবসা শুরু করার আগে সেই ব্যবসা সম্পর্কে ধারণা থাকটি খুবই জরুরি। যেই জিনিসটি নিয়ে আপনি ব্যবসা শুরু করবেন সেটির উপর প্রশিক্ষন নেওয়া উচিত। সেটি হতে পারে অনলাইন অথবা অফলাইনে, প্রাতিস্ঠানিক কিংবা অপ্রাতিস্ঠানিক। ভ্রাম্যমান খাবারের দোকানে লাভ করার কিছু উপায় নিচে আলোচনা করলাম। সাথেই থাকুন। 

ভ্রাম্যমান খাবারের দোকানে লাভ করার উপায় খাবারের দোকানে লাভ করার উপায়  দোকানে বিক্রি বৃদ্ধির কৌশল ব্যবসা ভালো হওয়ার উপায় দোকানে বেশি বিক্রি হওয়ার আম.jpg

লেগে থাকার মন-মানসিকতা 

ভ্রাম্যমান খাবারের দোকানে লাভ করার মনমানসিকতা থাকলে লেগে থাকতে হবে। এই ব্যবসার প্রতি ভালোবাসা থাকতে হবে। ধরুন কোন একটি সমস্যার সৃষ্টি হলো। এতে ভেঙে পড়লে চলবেনা। ধর্য্য ধরে সমস্যা চিহ্নিত করতে হবে। কিভাবে এই সমস্যার সমাধান করা যায় তা নিয়ে বসতে হবে। প্রয়োজনে অভিজ্ঞ কারো পরামর্শ নিতে পারেন। সাথে সাথে সঠিক সিদ্ধান্তের পথে এগিয়ে যেতে হবে। তবেই ভ্রাম্যমান খাবারের দোকানে লাভ করতে পারবেন। 

তুলনামূলক কম প্রাইজে সেল করা

ভ্রাম্যমান খাবারের দোকানে লাভ করতে হলে কম্পিটিশন করে এগিয়ে যেতে হবে। এখন প্রায় প্রতিটি ব্যবসার ক্ষেত্রে প্রতিযোগীতা থাকে। আর এই প্রতিযোগীতায় টিকে থাকতে হলে কিছু কৌশল অবলম্বন করতে হবে। ভ্রাম্যমান খাবারের দোকানে লাভ করার ক্ষেত্রে কৌশল হিসাবে তুলনা মুলক কম প্রাইজকে ব্যবহার করতে পারেন। ধরুন একই খাবার প্রতি পিসে একজন ৮ টাকা লাভে সেল করতেছে। একই খাবার যদি আপনি ৭ টাকা দামে সেল করেন তবে কাস্টমার আপনারই বেশি হবে। আর এই সুবাদে আপনার সেল বেড়ে যাবে। এই ১ টাকা ছাড়ে আপনি বেশি কাস্টমার দিয়ে অধিক লাভবান হতে সক্ষম হবেন। 


মানসম্মত খাবার সেল করা

মানসম্মত খাবার সেল করে আপনি হতে পারেন একজন সফল ব্যবসায়ী। একজন ক্রেতা সব সময় মানসম্মত খাবার কিনতে তুলনামূলক বেশি আগ্রহী। প্রয়োজনে বাড়তি বাজেট করতে দ্বিধাবোধ করেনা। আপনার খাবার যদি মান সম্মত হয় তবে আপনার রিভিউ কাস্টমারের কোনো অভাব হবেনা। ভ্রাম্যমান খাবারের দোকান দিয়ে লাভ করার ক্ষেত্রে মানসম্মত খাবারের কোনো বিকল্প নেয়। 


মজাদার খাবার তৈরি করা

ভ্রাম্যমান খাবারের দোকানে লাভ করার মনমানসিকতা থাকলে খাবার মজাদার হতেই হবে। খেতে ভালো  না লাগলো কেন খাবে? আমি টাকা খরচ

করে খারাপ খাবার কখনও খাবনা। খাবার খেয়ে যদি আমি তৃপ্তি না পায় তবে এই দোকান থেকে খাবার কেনার আগ্রহ হারিয়ে ফেলব। সুতরাং কাস্টমার ধরে রাখতে হলে খাবার মজাদার হতেই হবে। ভ্রাম্যমান খাবারের দোকানে লাভ করার ক্ষেত্রে এটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয়। 


ডিজিটাল টিপস ফলো করা

ভ্রাম্যমান খাবারের দোকানে লাভ করার উপায় হিসাবে কিছু টিপস ফলো করতে পারেন। যেমন পাশের দোকানে কি খাবার সেল করতেছে অথবা সেই এলাকায় কেমন খাবারের চাহিদা আছে। আপনি এসব বিশ্লেষণ করে নিজের মতো করে মেনো তৈরি করেতে পারেন। তাছাড়া ডিজিটাল এই সময়ে সুন্দর ইউনিক প্যাকেজিং এর ব্যবস্থা করতে পারেন। প্যাকেট যদি দৃষ্টিনন্দন হয় তবে গ্রাহকের নজর কাড়বে। এভাবে ভ্রাম্যমান খাবারের দোকানে লাভ করা খুবই সহজ হবে। সাথে সাথে ব্যবসাও সফল হবে। 


লোকালয়ে স্টল দেওয়া 

ভ্রাম্যমান খাবারের দোকানে লাভ করার উপায় হিসাবে লোকালয়ে স্টল দেওয়াকে গুরুত্ব দিতে হবে। কারণ লোকজন যেখানে বেশি সেখানে বিক্রিও বেশি। আপনি পরিকল্পনা করে পূঁজি খাটিয়ে ব্যবসা শুরু করলেন। কিন্তু যদি সেখানে লোকজন কম হয় তবে ভ্রাম্যমান খাবারের দোকানে লাভ করার স্বপ্ন পূরণ হবে না। সুতরাং ভ্রাম্যমান ব্যবসা শুরু করার সময় প্লেজটি গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয়। যদি স্কুল, মাদ্রাসা, ব্যাংক, বীমা, শিল্প কারকানা এধরণের প্রতিস্ঠানের কাছাকাছি ভ্রাম্যমান খাবারের দোকান দেওয়া যায় তবে সেই ব্যবসা লাভবান হবে এতে কোনো সন্দেহ নাই। 


ইতি কথা

ভ্রাম্যমান খাবারের দোকানে লাভ করার উপায় হিসাবে আলোচিত বিষয়ে সচেতন হতে পারলে ব্যবসা সফল হবে। তবে সময় বিবেচনায় মেনু চেঞ্জ করতে হবে। গ্রাহকের চাহিদাকে প্রধান্য দিতে হবে। খাবারে নতুনত্ব আনতে হবে। বিভিন্ন মেলায় যোগ দেওয়ার চেষ্টা করতে হবে। সম্ভব হলে হোম ডেলিভারির সুযোগ রাখতে হবে। এসব বিষয় মাথায় রেখে ভ্রাম্যমান খাবারের দোকানের ব্যবসা শুরু করলে সফলতা আসতে কোনো বাধা থাকবেনা।


আরও পড়ুন: জেনে নিন ক্যারিয়ারে সফল হওয়ার উপায়

এই ঘড়িতে 100 সেকেন্ড পার হলেই কিয়ামত! 

Previous Post Next Post

{ads}