ads

রাগ দমনের সহজ উপায় | রাগ কমানোর উপায় | রাগ নিয়ন্ত্রণের টোটকা

রাগ মানুষের প্রয়োজনীয় একটি অনুভূতি। তবে অনেক ক্ষেত্রে তার অতিরিক্ত মাত্রা জীবনের জন্য হুমকিস্বরুপ হয়ে পড়ে। কিছু কিছু মানুষ রাগ দমন করতে পারলেও অনেকেই তা পারেননা। এই অপারগতার বুলেট মানুষের জীবনের স্বপ্ন সুখ গুলিকে ছিদ্র করে অসংগত পরিবেশ সৃষ্টি করে। আপনি খেয়াল করে দেখবেন অতিরিক্ত রাগী মানুষ জীবনে অনেক কিছু হারিয়ে ফেলে। আর যার মূল কারণ হলো এই রাগ। অনেক ক্ষেত্রে  আমরা রাগ করার সময় নিজেদের ব্যালেন্স হারিয়ে ফেলি। এই সময়টাতে কি করি কিংবা কি বলি তা মাথায় থাকেনা। কিন্ত এর ফলস্বরূপ যে ক্ষতিটি স্বাধিত হয় তা সারা জীবন বয়ে বেড়াতে হয়। 

রাগ দমনের সহজ উপায় | রাগ কমানোর উপায় | রাগ নিয়ন্ত্রণের টোটকা রাগ কন্ট্রোল করার উপায় যে সহজে রেগে যায় অতিরিক্ত রাগ কমানোর ঔষধ মেয়েদের রাগ কমানোর .jpg

আসুন জেনে নিন রাগ দমানোর কিছু টিপস :-

রাগের পরিমাণটা খুব বেড়ে গেলে রাগ কমানোর উপায় হিসেবে দ্রুত বরফ কুচি হাতে নিন। গবেষণায় দেখা গেছে এই প্রক্রিয়াটি রাগ দমন করতে সক্ষম। কারণ এই পক্রিয়া স্বয়ং মস্তিষ্কের অবস্থা কিংবা পরিস্থিতি পরিবর্তন করতে সক্ষম। যেই বিষয়টি নিয়ে বা যে মানুষটির সাথে রাগ করছেন সেই বিষয়টি বা তাকে কিছুক্ষণের জন্য এড়িয়ে চলুন। মানুষ স্বাভাবিকভাবেই রাগ করার বিষয়টি বা যার সাথে রাগ করেছে সেই মানুষটিকে দেখলে আগের তুলনায় আরো বেশি রাগান্বিত হয়ে পড়ে। তাই যথাসম্ভব ওই মুহূর্তে তা এড়িয়ে চলুন। সাথে সাথে রাগ কমিয়ে ফেলুন।


রাগ করার সময় মস্তিষ্ক:-

তখনই দ্রুত কাজ করে যখন রাগ ঝড়ানোর মানুষ পায়। তাই সেই সময়টাতে একা থাকুন। এতে করে আপনার মস্তিষ্কের কার্যক্রম স্থায়ী হয়ে যাবে। যা আপনার রাগ কমানোর জন্য অত্যন্ত প্রয়োজনীয় একটি উপকরণ। পাশাপাশি এই একা থাকার সময়টাতে আপনি আপনার অহেতুক রাগ করা নিয়ে ভাবতে পারবেন  আফসোস করবেন। ফলস্বরূপ এই সময়টাতে যেক্ষতির সম্ভাবনা ছিল তা অনেকাংশে কমে আসবে।


তাছাড়া মুসলিম সম্প্রদায়ের মানুষেরা আস্তাগফার এবং অন্যান্য সম্প্রদায়ের মানুষেরা এই ক্ষেত্রে ধর্মীয় বাক্যগুলি আওড়াতে পারেন। অথবা উল্টো গুনতে পারেন। এতে আপনার মস্তিষ্ক অন্য দিকে ব্যস্ত থাকবে। ফলে রাগ কমে আসবে। অতিরিক্ত রাগ করার সময় হাতের কাছে যদি চুইংগ্রাম থাকে তা চিবুতে পারেন।


এক্ষেত্রে আমি বলবো যাদের হুটহাট রাঘ করার অভ্যাস আছে তারা যেনো সবসময় নিজের সাথে এই চুইংগ্রম সংগ্রহে রাখে। চাইলে অন্যান্য খাবারও রাখা যায়। এতে করে আপনার রাগ অনেকটা কমে আসবে। 


আমার মতে হুটহাট রাগ করার অভ্যাস একেবারে নিকৃষ্ট বদঅভ্যাস। এই অভ্যাস তৈরির মূল কারণ হলো দীর্ঘদিন ধরে এর চর্চা করা। ১ বার ২ বার ৩ বার করে এই রাগ কমানোর অভ্যাসটা আয়ত্তে আনতে পারলে অনাকাঙ্খিত ক্ষতির আশংকা থেকে মুক্তি পাওয়া যাবে। হুটহাট রেগে যাওয়াটা যে কতটা বোকামি কাজ তা বুঝতে পারলে রাগ করার মাত্রাটি অনেকাংশে কমে আসবে।


পাশাপাশি মনে রাতে হবে যেকোনে ধরনের  সমস্যার সমাধান হিসেবে রাগারাগি করাটা কখনোই গ্রহনযোগ্য নয়। রাগ কমানোর উপায়গুলি ফলো করুন এবং নিরাপদ জীবন যাপন করুন।


Previous Post Next Post

{ads}