ads

পরীক্ষায় ভালো করার উপায়: অল্প সময়ে পরীক্ষায় ভালো করার উপায়

পরীক্ষা ভালো করার জন্য কিছু উপায় নিম্নে দেওয়া হলো:


পরীক্ষায় ভালো করার উপায় অল্প সময়ে পরীক্ষায় ভালো করার উপায় কম সময়ে বেশি পড়ার উপায়  চালাকি করে পড়ার উপায় পরীক্ষায় ফার্স্ট হওয়ার উপায় পড়া মনে


ভালো ভাবে প্রস্তুত হওয়া: পরীক্ষার আগে যথাযথ পরীক্ষার কাজের মূল বিষয়গুলি ভালো ভাবে স্বীকৃতি করে নিন। প্রস্তুতি একটি মূল উপায় যা পরীক্ষার ভাগ্য পরিবর্তন করতে পারে।


পড়াশোনা সময়সূচী পরিচালনা করুন: একটি প্রয়োজনীয় কাজ হলো সময় মতো পড়াশোনা করা। পড়াশোনার সময়সূচী তৈরি করুন এবং পরীক্ষার পূর্বে সেটি পালন করুন।


পুনরাবৃত্তি করুন: নোট নেওয়ার সময় সম্পূর্ণ গুরুত্বপূর্ণ। নোট তৈরি করার সময় অবশ্যই শব্দগুলি বোঝার চেষ্টা করুন। পরীক্ষার আগে নোট পুনরাবৃত্তি করুন।


না পড়ে পাশ করার উপায় কি কি? 

না পড়ে পাশ করা কঠিন। তবে একটি বিষয়কে দ্রুত মনে রাখার কিছু উপায় নিচে দেওয়া হলো:


১। সারসংক্ষেপ পাঠ্যপুস্তক দেখুন: পাঠ্যপুস্তকগুলি সাধারণত সারসংক্ষেপে লেখা থাকে এবং সুবিধাজনক উপস্থাপন করে। সেই সারসংক্ষেপ পুস্তকগুলি পড়তে পারেন।


২। অধ্যয়ন করুন: একটি বিষয়কে সম্পূর্ণ বুঝতে হলে একাধিক সূত্র পাঠ করতে হবে। সুতরাং, আপনার উপযুক্ত সূত্রগুলি পাঠ করুন। সমস্যার ক্ষেত্রে, প্রশ্নটি সমাধান করার পরে নির্দিষ্ট সূত্রগুলি দেখে নিন।


৩। সার্চ ইঞ্জিন ব্যবহার করুন: যদি কোনও বিষয় সম্পর্কে আপনার সম্পূর্ণ ধারণা না থাকে, তবে ইন্টারনেট থেকে সংগ্রহ করা সূত্রগুলি সন্দর্ভে পাঠক বা সম্পাদকের মতামত দেখে পড়ুন। 


পরীক্ষার সময় ভেঙে না পড়ার উপায়গুলি কি কি? 

পরীক্ষার সময় পড়ার সময়টি খুবই গুরুত্বপূর্ণ এবং এটি সম্ভবত আপনার সাক্ষাৎ জীবনের একটি গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্ত। কিন্তু সময়ের কারণে মনে হতে পারে কিছু বিষয় পড়া না হয়ে যাওয়া। নিচে কয়েকটি উপায় দেওয়া হল যেগুলো আপনার পরীক্ষায় ভেঙ্গে না পড়াতে সহায়তা করবে। 


সময় পরিকল্পনা করুন। পরীক্ষার আগে অবশ্যই সময় পরিকল্পনা করুন। আপনার সময়টি ভাল উপযোগ করতে হবে এবং এটি সম্পূর্ণ ব্যবহৃত হবে। নির্দিষ্ট সময়সূচীতে যখন পড়াশোনা করবেন, তখন আপনার মনে হবে যে সময় টা একটা উপযুক্ত পড়াশোনার জন্য এবং এটি ব্যবহৃত হচ্ছে। সেই সাথে বিষয় প্রাথমিকতানুসারে পরিকল্পনা করে রাখুন। 


রেজাল্ট দেওয়ার পূর্বে করণীয়গুলি কি কি? 

পরীক্ষা রেজাল্ট দেওয়ার আগে কিছু করণীয় নিচে উল্লেখ করা হলো:


  • পরীক্ষার জন্য নির্ধারিত সময়সূচীতে রেজাল্ট প্রকাশ করা হবে। তাই রেজাল্ট প্রকাশের তারিখটি পরীক্ষার সময়সূচীতে নির্দেশ করা হবে

  • পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশ হওয়ার পরে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ওয়েবসাইট বা নোটিশ বোর্ডে রেজাল্ট প্রকাশ করা হবে। রেজাল্ট প্রকাশের তারিখে ও প্রকাশের মাধ্যমে উক্ত সম্পর্কিত তথ্য জানতে হবে।

  • পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশ হওয়ার পরে একটি রেজাল্ট প্রিন্ট আউট করে নেওয়া উচিত।

  • রেজাল্ট প্রকাশের পরে যদি কোন সমস্যা উদ্ভূত হয়, তবে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের নির্দিষ্ট বিভাগে জানাতে হবে।

  • সম্পূর্ণ রেজাল্ট প্রকাশ হওয়ার পরে উপস্থিত ছাত্রছাত্রীদের প্রতি তা সম্পর্কে জানানো উচিত।

Previous Post Next Post

{ads}