ads

 ফ্রিল্যান্সিং মার্কেটপ্লেস: ফ্রিল্যান্সিং মার্কেটপ্লেস লিস্ট

ফ্রিল্যান্সিং মার্কেটপ্লেস একটি জনপ্রিয় সাইট। এখানে আপনি চাইলে  ঘরে বসে আয় করতে পারেন। নিজের বেকারত্বকে  ঘুচাতে পারেন। প্রয়োজন শুধু ইচ্ছাশক্তি ও মেধা কাজে লাগিয়ে লক্ষ্যে পৌঁছানো। 


কোনটি ফ্রিল্যান্সিং মার্কেটপ্লেস? ফ্রিল্যান্সিং মার্কেটপ্লেস লিস্ট বিডি ফ্রিল্যান্সিং মার্কেটপ্লেস কি নতুন ফ্রিল্যান্সারদের জন্য সেরা মার্কেটপ্লেস কোনটি ফ্রিল্যান্সিং কোনটা ভালো বর্তমানে ফ্রিল্যান্সিং এর সব থেকে ডিমান্ডেবল সেক্টর কোনটি মোবাইল ফ্রিল্যান্সিং সাইট. ফ্রিল্যান্সিং টিপস.jpg


আসুন আমরা নিজের দক্ষতা বাড়িয়ে ফ্রিল্যান্সিং মার্কেটপ্লেসে কাজ করি সাথে সাথে নিজের ভাগ্যের পরিবর্তন করি। ফ্রিল্যান্সিং মার্কেটপ্লেস নিয়ে নিচে বিস্তারিত আলোচনা করার চেষ্টা করবো। সুতরাং আমাদের সাথেই থাকুন এবং আপনার পছন্দের সাইটটি বেছে নিন।


ফাইভার: ফ্রিল্যান্সিং মার্কেটপ্লেস

ফাইভার হচ্ছে ফ্রিল্যান্সিং মার্কেটপ্লেসের মধ্যে অধিক জনপ্রিয় একটি মার্কেটপ্রেস। এখানে নতুনরা খুব সহজেই দক্ষতা বাড়ানোর সুযোগ পায়। কারণ এখানে খুব সহজেই কাজ পাওয়া যায়। তবে কিছু ব্যাসিক নিয়ম কানুন জানা আবশ্যিক। ব্যাসিক বিষয়ে ধারণা না থাকলে যেকোনো সময় একাউন্ট ব্যান হয়ে যেতে পারে। সুতরাং আসুন আমরা কিছু গুরুত্বপূর্ণ নিয়ম কানুন জেনেনি।


নতুনরা সবসময় ফাইভার ফোরামে কার্যকর থাকতে হবে। কখনোই ব্যাক্তিগত কোনো তথ্য শেয়ার করবেন না। স্যোসাল মিডিয়াতে সংযুক্ত থাকতে হবে সবসময়। ফাইভার একাউন্ট খোলুন এবং সক্রিয় থাকুন। 


যতটুকু সম্ভব দ্রুত রিপ্লাই দিন। অটো রিফ্রেশ কিংবা ভিপিএন ব্যবহার থেকে বিরত থাকুন। তাছাড়া ফাইভার ফোরামে এক্টিভ থাকলে নিয়ম কানুন জানা যাবে পাশাপাশি নিজের দক্ষতা যাঁচাই এবং বৃদ্ধি করা যাবে। এখানে আপনার নানা সমস্যার কথা জানাতে পারবেন এবং সমাধানও পাবেন।কারণ ফোরামে যারা থাকেন তারা বেশ অভিজ্ঞ। 


তাছাড়া ধীরে ধীরে আপনিও অভিজ্ঞ হয়ে উঠবেন এবং অন্যের সমস্যার সমাধান দিতে পারবেন। তবে কখনোই অন্যের গিগ কপি করবেন না। নিজের দক্ষতা বাড়াতে সক্রিয় থাকুন। ফোরামে আপনি আপনার প্রোফাইলে ফাইভার প্রোফাইল লিংক শেয়ার করতে পারেন। এতে আপনার ভিজিট এবং ইম্প্রেসন বাড়বে। তবে এতে বেশ সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে। আপনার প্রোফাইলে কোনো ধরনের সাংকেতিক ছবি ইউজ করবেন না। 


আপনার নিজের অর্জিন্যাল ছবি ব্যবহার করবেন। বারবার ছবি চেঞ্জ করবেন না। ক্লাইয়েন্টকে কখনো পার্সোন্যাল কন্ট্রাক্ট নম্বর কিংবা ইমেইল দিবেন না। প্রতিযোগীতার এই সময়ে খুবই সতর্কতার সাথে এগুতে হবে। ব্যাক্তিগত কোনো ওয়েবসাইট যেখানে আপনার ডিটেইলস আছে সেই ওয়েবসাইট ক্লায়েন্ট কিংবা বায়ারের সাথে শেয়ার করবেন না। 


ভুল পথ কখনোই পা দেবেন না। কারণ এতে আপনার ফাইভার আইডি ঝুঁকিতে পড়ার সম্ভাবনা আছে। তাছাড়া Fiverr Policy Violation এ পড়ে আপনার আইডি একেবারে হারাতেও পারেন। একবার হারালে তা আর কখনো ফেরত পাবে না। 


নিয়মিত এক্টিভ থাকতে হবে আপনাকে স্যোসাল মিডিয়া গ্রুপ গুলিতে। তাছাড়া জনপ্রিয় সকল স্যোসাল মিডিয়া গ্রুপ আর পেইজে এক্টিভ থাকুন। নিজের ভালো জানা  বিষয় গুলো শেয়ার করুন পাশাপাশি নিজে কোন সমস্যায় পড়লে তাও গ্রুপ অথবা পেইজে পোস্ট করুন। তবে হ্যা নিয়ম মেনেই তা করবেন।  


সেখানকার অভিজ্ঞ আপু এবং বড় ভাই যারা আছেন তারা আপনার সমস্যার সুন্দর একটি সমাধান দিবেন। তবে সুন্দর এবং মার্জিত ভাষা ব্যবহার করবেন। 


ছোটখাটো ইস্যুগুলি আপনি চাইলে গুগলে চার্জ করে কিংবা স্যোসাল মিডিয়ায় পোস্ট দিয়েও সামাধান করতে পারবেন। আসুন আমরা সকল নিয়ম কানুন মেনে ফাইভারে কাজ করে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করি। 


Upwork: ফ্রিল্যান্সিং মার্কেটপ্লেস

আপওয়ার্ক হচ্ছে ফ্রিল্যান্সিং প্ল্যাটফর্মে অত্যন্ত জনপ্রিয় একটি সেক্টর। এখানে সবাই কাজ করে নির্দ্বিদায়। আপওয়ার্ক আগে O desk নামে পরিচিত ছিল। এখানে প্রায় ১২ মিলিয়নের বেশি ফ্রিল্যান্সার এবং ৫ মিলিয়ন ক্লায়েন্টসহ বিশ্বের সর্ববৃহৎ প্লাটফর্ম। অনলাইনের এই জগতে আপওয়ার্ক প্লাটফর্মে ফ্রিলান্সিং এর কোন সংকট নাই। কারন এখানে কর্ম পরিধি অনেক ব্যাপক। এখানে কাজ করতে চাইলে আপওয়ার্ক প্লাটফর্মে ফ্রিলান্সার পাবেন।


এখানে পেমেন্টের ক্ষেত্রে প্রাথমিক পর্যায়ে আপওয়ার্ক বায়ার এবং ফ্রিলান্সারের কাজের উপর ২০% ফ্রী চার্জ করে থাকে। তবে একই ক্লায়েন্টের কাছে বার বার কাজ করলে এই পার্সেন্ট কমে যায়। এবং ১০% পার্সেন্টে নেমে আসে। বিস্তারিত জানতে হলে ধরুন আপনি একজন ক্লায়েন্টের ১০০ ডলারের একটি কাজ করলেন। এতে সেই ক্লায়েন্ট আপনার থেকে ২০% চার্জ কেটে রাখলেন। 


সেইম ক্লায়েন্টের কাজ দ্বিতীয় বার করলে সেখানে ২০%এর পরিবর্তে ১০% চার্জই কাটা হবে। অর্থাৎ এখানে কাজ করতে করতে জনপ্রিয়তা কিংবা আশ্বস্ত হয়ে গেলে ক্লায়েন্ট নানা ধরণের অফার দিয়ে থাকে। এইভাবে কাজের পরিধি বাড়ে পাশাপাশি আর্থিকভাবে লাভবান হওয়া যায়। 


ইতিকথা

ফাইভার এবং আপওয়ার্কে কাজ করতে হলে নিয়ম কানুন আগে জেনে নিতে হবে। একাউন্ট করতে হবে। নিজের সঠিক প্রোফাইল পিক দিতে হবে। অকারণে বার বার চেঞ্জ করা যাবেনা। ফাইভার কিংবা আপওয়ার্ক ক্লায়েন্টের বিশ্বাস অর্জন করতে পারলে এই প্লাটফর্মে কাজ করা অনেক সহজ হয়। প্রচুর রিভিউ ক্লায়েন্ট পাওয়া যায়। যাতে আইডির রিচ বাড়ে পাশাপাশি আর্ন বেড়ে যায়। চলুন অনলাইনের এই আর্ন আমরা স্বাচ্ছন্দ্যে গ্রহন করি আর নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করি।


Previous Post Next Post

{ads}