মোবাইল ফোন ব্যবহারের ক্ষতিকর দিকগুলি কি কি?
আপনি কি জানেন, মোবাইল ফোনের অতিরিক্ত এবং ভুল ব্যবহার শুধুমাত্র মানসিক নয়, শারীরিক স্বাস্থ্যেরও ক্ষতি করতে পারে? চলুন তবে সচেতনতার অংশ হিসাবে মোবাইল ফোন ব্যবহারের ক্ষতিকর দিকগুলি সম্পর্কে জেনে নিই।
১. দূরত্ব সৃষ্টি: মোবাইল ফোন ব্যবহারের ক্ষতিকর দিক
অতিরিক্ত মেসেজিং টিন টেন্ডোনাইটিস (টিটিটি) হওয়ান কারণে কেউই কারো সাথে সরাসরি কথা বলতে চায় না।
![]() |
অতিরিক্ত মোবাইল ফোনের ব্যবহার আমাদের জীবন ধ্বংসের একমাত্র কারণ যেনো হয়ে না উঠে |
পাশাপাশি বসে থাকলেও কেউ কারো সাথে খোশগল্পে মেটে উঠতে চায় না। ফলে সৃষ্টি করে মানসিক এবং শারীরিক ও আত্মিক দূরত্ব। যা মোবাইল ফোন ব্যবহারের ক্ষতিকর দিকগুলির একটি৷
২. শারীরিক ক্ষতি: মোবাইল ফোন ব্যবহারের ক্ষতিকর দিক
ব্যাক্তির হাতে এবং পিঠে ব্যথার কারণ হয়ে উঠে এই মোবাইল ফোনের অতিরিক্ত ব্যবহার। বলে রাখা ভালো অনেক বেশি পরিমাণে মোবাইল ফোন ব্যবহারের ফলে টেন্ডোনাইটিস এবং প্রথম কারপোমেটাকারপাল আর্থ্রাইটিসের মতো পেশীর সমস্যা দেখা দিতে পারে।
৩. হতাশা বা ডিপ্রেশন: মোবাইল ফোন ব্যবহারের ক্ষতিকর দিক
যারা মোবাইল ফোনের পেছনে অনেক বেশি সময় ব্যয় করে তারা স্ট্রেস, উদ্বেগ এবং ডিপ্রেশনে সবচেয়ে বেশি পরিমাণে ভুগে থাকে।
স্মার্টফোনের অত্যধিক ব্যবহারের ফলে মানসিক স্বাস্থ্য সমস্যার ঝুঁকি বেড়ে যেতে পারে এবং মোবাইল ফোন ব্যবহারের ক্ষতিকর দিকগুলির মাঝে আজকাল এটি বেশ কমন একটি সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছে।
৪. ঘুমের ঘাটতি: মোবাইল ফোন ব্যবহারের ক্ষতিকর দিক
আরো একটি মোবাইল ফোন ব্যবহারের ক্ষতিকর দিক হলো পর্যাপ্ত পরিমাণে ঘুমের অভাব। রাতে ঘুমানোর সময় টেক্সট এবং কলিংসহ সোশ্যাল মিডিয়ার ব্যবহারের কারণে ব্যাক্তির সময়মতো ঘুমাতে পারে না।
এর ফলে ঘুমের ব্যাঘাত ঘটতে পারে। একটি গবেষণায় দেখা গেছে, যে কিশোর-কিশোরীরা আলো নিভানোর পরেও সেলফোন ব্যবহার করে তাদের ক্লান্তি বেড়ে যায়।
৫. দূর্ঘটনা বেড়ে যাওয়া: মোবাইল ফোন ব্যবহারের ক্ষতিকর দিক
গাড়ি চালানোর সময় কল এবং টেক্সট করার প্রবণতার কারণে অনেক সময় রোড এক্সিডেন্ট ঘটে।
আবার মোবাইলে মগ্ন হয়ে থাকাকালীন সময়ে দেখা যায় রাস্তা পার হতে গিয়ে গাড়ি চাপায় জীবন বাতি নিভে যেতে।
৬. বাড়তি উদ্বেগ: মোবাইল ফোন ব্যবহারের ক্ষতিকর দিক
যোগাযোগের প্রাথমিক মাধ্যম হিসাবে টেক্সটিংয়ের উপর নির্ভর করা ব্যাক্তিদের মাঝে বাড়তি উদ্বেগ দেখা দিতে পারে। কারণ টেক্সটিং তাৎক্ষণিকভাবে তৃপ্তিদায়ক হলেও তবে উদ্বেগ তৈরি করে।
মোটকথা সামাজিক বিচ্ছিন্নতা এবং দুর্বল একাডেমিক পারফরম্যান্সের দিকে পরিচালিত করার ক্ষেত্রে এই মোবাইলের প্রতি বাড়তি আসক্তির ব্যাপারটি একেবারে ফেলা দেবার মতোও নয়।
৭. মস্তিষ্কের ক্যান্সার: মোবাইল ফোন ব্যবহারের ক্ষতিকর দিক
মোবাইল ফোন থেকে ব্যাক্তির মস্তিষ্কের ক্যান্সার হওয়ার ঝুঁকি সবচেয়ে বেশি। বিশেষত শিশুদের প্রাপ্তবয়স্কদের তুলনায় বেশি এই ঝুঁকিতে থাকার সম্ভাবনা রয়েছে।
কারণ তাদের স্নায়ুতন্ত্র এখনও বিকাশ হওয়ার পথে। এছাড়াও মস্তিষ্কের গ্লুকোজ বিপাকের উপর সেল ফোন রেডিওফ্রিকোয়েন্সি সংকেত এক্সপোজারের প্রভাব বেশ লক্ষ্যণীয়৷