ads

 নতুন বিদেশি ব্যবসার আইডিয়া: এক্সপোর্ট ব্যবসার আইডিয়া

বলা হয়ে থাকে স্বল্প সময়ে অনেক টাকা আয় করতে চাকরি ছেড়ে ব্যবসা ধরা উচিত। কারণ একমাত্র ব্যবসার মাধ্যমেই সল্প সময়ে অনেক বেশি পরিমাণে অর্থ ইনকাম করা যায়। 


বিদেশি ব্যবসার আইডিয়া  নতুন বিদেশি ব্যবসার আইডিয়া নতুন ব্যবসার আইডিয়া  এক্সপোর্ট ব্যবসার আইডিয়া  এক্সপোর্ট ইমপোর্ট বিজনেস  পার্ট টাইম ব্যবসার আইডিয়া  বিদেশি ব্যবসা.jpg
এক্সপোর্টের ব্যবসা করেন হয়ে উঠুন কোটিপতি 


ব্যবসার বিভিন্ন ধরণ আছে। তার চেয়ে বড় কথা হলো বর্তমানে ইউনিক ব্যবসার সফলতা অনেক বেশি। আর এই ইউনিক ব্যবসার অংশ হিসেবে বিদেশী ব্যবসার আইডিয়াকে কাজে লাগাতে পারলে তা মন্দ হয় না। 


চলুন তবে আজ বিদেশি ব্যবসার আইডিয়া এবং নতুন ব্যবসার আইডিয়া সম্পর্কে একটি গাইডলাইন টাইপের আলোচনা করা যাক। 


বিদেশি ব্যবসার আইডিয়া

বিদেশি ব্যবসার আইডিয়া হিসেবে আপনি অনেকগুলি ব্যবসার অপশন পাবেন। তবে এইসব ব্যবসায় শুরুতে অনেক বেশি ইনভেস্টমেন্ট করে বিপদে পড়ার কোন দরকার নেই। 


আগে ব্যবসার ধরন বুঝবেন, কিভাবে লাভ করা যায় তা জানবেন এর পরে সময় মতো ঝোঁপ বুঝে খোপ মারতে ইনভেস্ট করবেন। চলুন তবে আর কথা না বাড়িয়ে বেশ কিছু বিদেশী ব্যবসার আইডিয়া সম্পর্কে ধারণা নেওয়া যাক। 


এক্সপোর্ট ব্যবসা: বিদেশি ব্যবসার আইডিয়া

বিদেশি ব্যবসার আইডিয়া হিসাবে এই ধরনের ব্যবসা বেশ জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে। কারণ বাংলাদেশে বর্তমানে বিভিন্ন এক্সপোর্ট করার মতো জিনিসের চাহিদা বেড়ে গিয়েছে। 


বিভিন্ন প্রসাধনী সামগ্রী থেকে শুরু করে কাপড়চোপড় সহ ম্যাক্সিমাম মেশিনারি জিনিসপত্র আজকাল বাইরে থেকে আনিয়ে তবেই ব্যবহার করা হয়। 


আর আপনি চাইলে এই সুযোগটিকে কাজে লাগাতে পারেন। বলে রাখা ভালো সোজা বাংলায় এই ব্যবসাটি আমদানি ব্যবসাও বলা হয়ে থাকে। 


এক্সপোর্ট ব্যবসা শুরু করার উপায় 

আপনারা যারা এই বিদেশী ব্যবসার আইডিয়াটিকে কাজে লাগিয়ে জীবনমানের উন্নতি করতে যান তারা দ্রুত জেনে নিন এক্সপোর্ট ব্যবসা শুরু করার উপায় সম্পর্কিত বিস্তারিত তথ্য। 


শুরুতেই বলে রাখি এক্সপোর্ট ব্যবসার প্রথম লাভ হলো বিদেশ থেকে পণ্য আমদানি করা। এক্ষেত্রে যদি আপনি না জেনে ইনভেস্ট করে ফেলেন তাহলে কিন্তু অবশ্যই আপনাকে লসের মুখে পড়তে হবে। 


যারা লসের মুখে পড়তে যান না তারা শুরুতে যেকোনো একটি লাভজনক প্রোডাক্ট বাছাই করে ফেলুন। এক্ষেত্রে মার্কেট বুঝতে সময় নেই। 


বাজারে এক্সপোর্ট করা কোন প্রোডাক্টের চাহিদা বর্তমানে সবচেয়ে বেশি এবং প্রোডাক্টের সিজনাল কিনা তা ভালোভাবে রিচার্জ করে দিন। পাশাপাশি প্রোডাক্টের দাম এক্সপোর্ট ফি এবং অন্যান্য খরচের সাথে ব্যালেন্স করে আপনি লাভ করতে পারবেন কিনা সেটিও নিশ্চিত হয়ে নিন। 


এক একটি প্রোডাক্ট নিয়ে রিসার্চ করতে অন্তত এক সপ্তাহের মতো সময় নিন। যাদের কোনো বিষয় বুঝতে একটু সময় লাগে তারা প্রয়োজনে দুই সপ্তাহের মত সময় নিন। তবুও মার্কেট রিসার্চ না করে কখনোই এক্সপোর্ট ব্যবসায়ী নামবেন না। 


মনে রাখবেন এই বিদেশী ব্যবসায় দেয়ার সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্ট হল ৪ টি। এগুলি হলো: 


  • মার্কেট নিয়ে রিসার্চ 
  • প্রোডাক্ট সিলেকশন 
  • কান্ট্রি সিলেকশন 
  • লাইসেন্স সংগ্রহ 


উপরুক্ত ৪ টি বিষয় নিশ্চিত করে আপনি যদি এক্সপোর্ট ব্যবসায় নামেন, তাহলে হলফ করে বলতে পারি এই এক্সপোর্ট ব্যবসা আপনার জীবনকে পরিবর্তন করে ফেলবে। লসের মুখে পড়া পরিবর্তে আপনি লাভের জোয়ারে ভাসতে থাকবেন।


বিদেশি ব্যবসার আইডিয়া কাজে লাগাতে লাইসেন্স কিভাবে সংগ্রহ করবেন? 

শুরুতেই বলেছি এক্সপোর্ট ব্যবসা সহ যে কোন ধরনের বিদেশি ব্যবসার ক্ষেত্রে আপনাকে অবশ্যই একটি লাইসেন্স সংগ্রহ করতে হবে। 


আর যদি কোন কারণে আপনি লাইসেন্স ছাড়া এই ব্যবসা শুরু করেন তাহলে আপনাকে একজন অপরাধী হিসেবে এর ক্ষতিপূরণ দিতে হবে। যাইহোক এই লাইসেন্স তৈরি করতে নিজের পয়েন্টগুলোতে ফোকাস করতে পারেন:


  • আপনাকে যে লাইসেন্সটি তৈরি করিয়ে নিতে হবে সেটির নাম হল ট্রেড লাইসেন্স  
  • ট্রেড লাইসেন্সের পাশাপাশি বিদেশী ব্যবসা আইডিয়া কে কাজে লাগিয়ে ব্যবসা করতে হলে আপনাকে টিন সার্টিফিকেটও সংগ্রহ করতে হবে 
  • আপনার যদি ব্যাংক রিলেটেড সচ্ছ কোন সার্টিফিকেট না থাকে তাহলে আপনি এই বিদেশী ব্যবসার আইডিয়া কে কাজে লাগিয়ে ব্যবসা শুরু করতে পারবেন না 
  • ট্রেড লাইসেন্স সহ বিদেশি ব্যবসা শুরু করার যেকোনো অফিসিয়াল কাজে ব্যবহারের জন্য আপনাকে অবশ্যই পাসপোর্ট সাইজের একটি ছবি সাথে রাখতে হবে 
  • আপনাকে কোন একটি স্বীকৃত অ্যাসোসিয়েশন থেকে সার্টিফিকেট প্রাপ্ত হতে হবে 


বিদেশি ব্যবসার আইডিয়ায় ব্যবসা শুরু করে লাভ করার উপায়

এক্সপোর্ট এর ব্যবসা বা যে কোন বিদেশি ব্যবসার আইডিয়াকে কাজে লাগিয়ে ব্যবসা শুরু করতে হলে আপনাকে বেশ কিছু বিষয় নিয়ে সতর্ক থাকতে হবে। 


যেমন অল্প পুঁজি নিয়ে মাঠে নামতে হবে। কারণ আপনি চাইলে এই এক্সপোর্ট এর ব্যবসা খুব অল্প পুঁজি নিয়ে শুরু করতে পারেন। এতে করে আপনার কিছুটা ইন্টার্নশিপ হয়ে যাবে এবং সেই সাথে মার্কেট সম্পর্কে অনেক ধারণা পাওয়ারও সুযোগ হবে। 


কোন প্রোডাক্ট নিয়ে কাজ শুরু করবেন এবং কত টাকা ইনভেস্ট করবেন এসব কিছু ভাবার পরে আপনাকে অবশ্যই একটি প্ল্যান কিংবা গাইডলাইন তৈরি করে নিতে হবে। যেখানে থাকবে আপনি আপনার টার্গেটেড অডিয়েন্সের কাছে কিভাবে পৌঁছাবেন এবং কিভাবে আপনার প্রোডাক্ট সেল করবেন সেই সম্পর্কিত সকল প্ল্যান। 


পাশাপাশি কোন দেশ থেকে প্রোডাক্ট এনে আপনি কাজ করতে শুরু করতে চান সেই সম্পর্কেও একটি ফ্রেশ এবং সুস্পষ্ট প্লানিং তৈরি করে নেবেন। 


এই পর্যায়ে এসে আপনাদের সুবিধার্থে একটি তথ্য দিয়ে রাখা উচিত বলে আমি মনে করি এবং সেটি হলো বর্তমানে বাংলাদেশে এক্সপোর্ট বিজনেসের ক্ষেত্রে চীন এবং ভারতের প্রোডাক্টগুলিই সবচেয়ে বেশি চলছে এবং লাভের মুখ দেখছে। 


সুতরাং আপনি চাইলে চীন কিংবা ভারতের যেকোন প্রোডাক্ট নিয়ে কাজ করতে পারেন। এছাড়াও বিভিন্ন স্কিন কেয়ার প্রোডাক্ট এর ক্ষেত্রে কোরিয়ার বিভিন্ন প্রডাক্ট এর চাহিদা সম্পর্কেও বলার কোনো অপেক্ষা রাখে না। 


ইতি কথা

আশা করি সঠিক প্ল্যান এবং গাইডলাইন নিয়ে মাঠে নামলে যেকোনো  বিদেশি ব্যবসার আইডিয়াই আপনাকে সফলতার মুখ দেখাবে। মনে রাখবেন বিজনেস হলো লং প্রসেস। যেখানে নিজেকে ধরে রাখতে এবং নিজের অবস্থান তৈরি করতে কিছুটা সময় হয়তো লাগতে পারে! 


তবে এই সময়টাতে ধৈর্য ধরে কাজ করে যেতে পারলে এখান থেকে আপনি প্রচুর মুনাফ অর্জন করতে পারবেন। শুভ কামনা রইল আপনার এবং আপনার নতুন বিজনেসের প্রতি। 

Previous Post Next Post

{ads}