ads

 ভালো তরমুজ চেনার উপায় ও ভালো তরমুজের উপকারিতা

ভালো তরমুজ চেনার উপায় ভালো তরমুজের উপকারিতা valo tormuj chenar upay পাকা তরমুজ চেনার উপায় তরমুজ চেনার উপায় তরমুজ খেলে কি হয় ফ্রিজে তরমুজ রাখার নিয়ম তরমুজ ফ্রিজে রাখলে কি হয়.jpg
তরমুজ কিনুন বুঝে-শুনে

সবকিছুর দাম বেড়েছে। তবে সবচেয়ে দাম বেড়ে যাওয়া জিনিসপত্রের কাতারে তরমুজকে সহজেই ফেলা যাচ্ছে শুরুতে। সুতরাং লজিক্যালি এতো দামি ফল দেখে-শুনে না নিলে কি আর চলে? 


তবে অনেকেই তরমুজ কেনার সময় এই একটি বলে ব্যাপারে এসে আটকে যান। বুঝতে পারেন না ভালো তরমুজ চেনার উপায়গুলি কি কি কিংবা তরমুজ কিনে ঘরে ঢোকার পর কাটা তরমুজ কিভাবে ফ্রিজে রাখবেন। 


চলুন তবে আজ এই তরমুজের উপর গবেষণা চালানো যাক। জেনে নেওয়াক পাকা এবং ভালো তরমুজ জেনার সিক্রেট উপায়। 


ফোর্ড গাড়ির ইতিহাস জানতে ক্লিক করুন এখানে 

তরমুজ ভালো হলে কিভাবে বুঝবো?

কষ্টের টাকায় শখের তরমুজ কেনার পর পরিবারের সদস্যরা যাচ্ছেতাই বলে যাচ্ছে? বাইরে দেখা পার্ফেক্ট তরমুজ ঘরে এসে অর্থের অপচয়ে পরিণত হয়েছে? এমন সমস্যায় দ্বিতীয়বার আর পড়তে না চাইলে জানতে হবে ভালো তরমুজ চেনার উপায়। যা বিস্তারিত জানতে এবং বুঝতে নিচের পয়েন্টগুলি ভালোভাবে লক্ষ্য করুন। 


রূপ দেখে আঁচ করুন

ভালো তরমুজ চেনার উপায় হিসাবে শুরুতেই তরমুজের চেহারা ভালোভাবে লক্ষ্য করুন। এমন তরমুজ বেছে নিন যা দেখতে অতটা লম্বা না! আবার খুব একটা চ্যাপ্টাও না। অর্থ্যাৎ বেছে বেছে মাঝারি এবং দেখতে পার্ফেক্ট সাইজের তরমুজ টার্গেট করুন।


এবারে তরমুজের স্কিন বা চামড়া চেক করুন। দেখুন চামড়া বেশ রুক্ষ নাকি মসৃণ। রুক্ষ হলে বেছে নেওয়া তরমুজটির আশা বাদ দিন। পাশাপাশি মসৃণ হওয়া তরমুজের স্কিনে কোনো দাগ আছে কিনা সেটিও চেক করে নিন। 


আর রঙের ক্ষেত্রে বেছে নিন গাঢ় সবুজ রঙের তরমুজকে। দেখতে খানিকটা বাসি বা তরতাজা টেক্সচার নেই এমন তরমুজকে না বলুন। 


এরিথ্রোমাইসিন ঔষধ কেনো সেবন করতে হয় জানুন 

ওজনে কতখানি তা জানুন

ভালো তরমুজ চিনতে অবশ্যই তরমুজকে নেড়েচেড়ে দেখা জরুরি। এক্ষেত্রে খানিকটা ভার চেক করতে পারেন। হাতে নিয়ে দেখুন আকারের চাইতে তরমুজের ভারটা খানিকটা বেশি মনে হচ্ছে কিনা। 


যদি ভারি হয় সেক্ষেত্রে ধরে নেবেন আপনার পছন্দ করা তরমুজটার ভেতরটা পরিপূর্ণ পার্ফেক্ট, তাজা এবং রসালো। আর যদি তা ওজনে হালকা হয় সেক্ষেত্রে ধরে নিতে হবে বাছাই করা তরমুজখানার ভেতরটা শূন্যতায় ভরা। সুতরাং এই ধরণের তরমুজ কেনা থেকে বিরত থাকুন। 


তরমুজে টোকা দিন

বিজ্ঞ খাবার বিশেষজ্ঞের মতো এবারে তরমুজের গায়ে টোকা দিন। কারণ এতে তৈরি হওয়া শব্দের উপরও নির্ভর করবে উক্ত তরমুজখানা পুরোপুরি রসালো কিনা। 


সাধারণত ভালো তরমুজের গায়ে টোকা দিলে একধরণের গভীর এবং ফাঁপা শব্দ সৃষ্টি হয়। যা প্রমাণ করে তরমুজের ভেতরটা রসালো এবং পানিতে পরিপূর্ণ। অন্যথায় তরমুজে টোকা দিলে খানিকটা নিস্তেজ টাইপের শব্দ শোনার চান্স থাকে। 


তরমুজের গোড়ার রং দেখুন 

এখানে তরমুজের গোড়া বলতে বোঝানো হচ্ছে তরমুজের গায়ে থাকা জমি থেকে তোলাকালীন সময়কার জায়গাটি। তরমুজের গোড়ার এই অংশটি যদি খানিকটা শুকনো টাইপের এবং বাদামী রঙের হয়ে থাকে তাহলে বুঝবেন তরমুজ বাবাজি ভেতর থেকে পরিপক্ব এবং রসালো। 


তবে যদি এই গোড়ার রং হয় হলুদাভ সেক্ষেত্রে ধরে নিতে হবে এই তরমুজ এখনো পাকেনি কিংবা ভেতরে জুস হয়নি। 


কান্ড দেখে বুঝুন

তরমুজের কান্ড ভালোভাবে চেক করতে পারলেও বোঝা যাবে কিনতে চাওয়া তরমুজটি কাটার পর হতাশ হতে হবে কিনা। সাধারণত ভালো তরমুজের কান্ড শুকনো এবং বাদামী রঙের হবে। যা ন্যাচারালি পাকা তরমুজ সৃষ্টির একমাত্র প্রমাণ। 


অন্যদিকে জোর করে পাকানো তরমুজের কান্ড দেখলেই বোঝা যাবে তা জোর করে সবুজ থেকে বাদামী রঙের করানো হয়েছে। অর্থ্যাৎ না পাকতেই তরমুজ বাগান থেকে তুলে ফেলা রাখা হয়েছে। 


যার কারণে তরমুজের কান্ডের পচন ধরতে ধরতে তা শুকিয়ে গেছে। মোটকথা কান্ড দেখে যদি বুঝেন তরমুজের কান্ড ন্যাচারালি পেকেছে তাহলে অবশ্যই আস্থা রাখা যাবে। 


মোবাইল ওপেন না হলে বা চার্জ না হলে যা করবেন 

সবশেষে আকার লক্ষ্য করুন

সবশেষে তরমুজ চেনার উপায় হিসাবে এর আকার লক্ষ্য করুন। আকারের দিক দিয়ে তুলনামূলকভাবে বড় তরমুজ কেনার চেষ্টা করুন। কারণ বড় তরমুজে খাওয়ার মতো অংশের পরিমাণ বেশি থাকে। 


যদিও ছোটখাটো তরমুজ কিনতে জানলে অনেক বেশি মিষ্টি ফল পাওয়া যায়। তবে খাওয়ার মতো অংশের পরিমাণ থাকে খুব কম। 


তরমুজ পাকা হলে কিভাবে বুঝবো?

ভালো তরমুজ চেনার উপায় এবং পাকা তরমুজ চেনার উপায়গুলি বলতে গেলে একই। তবে তরমুজ পেকেছে কিনা তা জানতে অবশ্যই তরমুজের কান্ড এবং ফিল্ড স্পট বা বাগান থেকে তোলা অংশটিতে অনেক বেশি মনোযোগ দিতে হবে। 


লক্ষ্য করতে হবে তরমুজের কান্ডকে জোড় করে শুকানো হয়েছে কিনা এবং তরমুজের গোড়ার অংশটি অস্বাভাবিকভাবে হলুদ কিনা। যদি হয় সেক্ষেত্রে তা বাদ দিয়ে ন্যাচারালি শুকানো কান্ডযুক্ত এবং বাদামি রঙের স্পটফিল্ডযুক্ত তরমুজ বেছে নিতে হবে। 


আর হ্যাঁ অতিরিক্ত পাকনা এবং তুলনামূলকভাবে মিষ্টি তরমুজ বেছে নিতে অবশ্যই ছোটখাটো তরমুজে বাড়তি নজর দিতে পারেন। কারণ ছোট তরমুজ খেতে ভারি মিষ্টি হয়ে থাকে। 


একজন সাইবার সিকিউরিটি এক্সপার্ট বছরে কত টাকা উপার্জন করে জানতে এখানে ক্লিক করুন 

কাটা তরমুজ কিভাবে ফ্রিজে রাখবেন?

বাড়তি কিনে আনা তরমুজ একসাথে হজম করতে না পারলে অবশ্যই তা ফ্রিজে সংরক্ষণ করতে পারেন। তবে অনেকেই এক্ষেত্রে বড়সড় ভুল ধরে থাকেন। যেসব বক্স ছাড়া নরমাল প্লেটে করে খোলা অবস্থাই তরমুজ সংরক্ষণ করা, খোসা না ছাড়ানো, পরিষ্কার না করা ইত্যাদি। সুতরাং শখের তরমুজ জলে ফেলতে না চাইলে ফ্রিজে রাখার উপর তরমুজের যেসব বিষয় খেয়াল রাখাটা জরুরি: 


পরিষ্কার করে নিন: আমরা অনেকেই ভাবি কাটা তরমুজ ফ্রিজে সংরক্ষণ করতে বুঝি তরমুজ ধোঁয়ার কোনো প্রয়োজন নেই। অবশ্যই আছে! তবে যদি খোসাসমেত তরমুজ ফ্রিজে সংরক্ষণ করতে চান সেক্ষেত্রে অবশ্যই নরমাল পানিতে ৫ মিনিটের মতো তরমুজ ভিজিয়ে রাখুন। এরপর ধুঁয়ে নিন। 


পছন্দমতো কেটে নিন: এবার তরমুজ কেটে নেওয়ার পালা। আপনার পছন্দের উপর নির্ভর করে তরমুজকে স্লাইস বা কিউব করে কেটে নিন। খোসা রাখা না রাখা আপনার পছন্দের উপর নির্ভর করলেও আমি বলবো খোসা ফেলে তবেই তরমুজ সংরক্ষণ করাটা বেশ বুদ্ধিমানের কাজ। আর হ্যাঁ প্রো টিপস হিসাবে বলতে পারি স্টোরেজ কন্টেইনারে টুকরো করা তরমুজ ভালোভাবে বাক্সবন্দি করার জন্য আপনি তরমুজটিকে ছোট ছোট টুকরো করে কাটতে পারেন।


কোথায় রাখবেন তা বেছে নিন: সাধারণত কাটা তরমুজ বক্সের চাইতে পলিথিন ব্যাগে অনেকদিন পর্যন্ত ভালো থাকে। তবে যাই বেছে নেন না কেনো অবশ্যই তা বায়ুরোধী কিনা তা নিশ্চিত হয়ে নেবেন। নতুবা তরমুজ পঁচে যাবার সম্ভাবনা কাজ করে। 


মুখ আটকে দিন: সবশেষে তরমুজের টুকরো পলিথিনে বা বক্সে ভরে ভালোভাবে মুখ আটকে দিন। যাতে করে এতে বাতাস প্রবেশ করতে না পারে। কারণ বাতাসের সংস্পর্শে তরমুজে অক্সিডেশন হতে পারে। যা তরমুজের আসল স্মেল নষ্ট করার জন্য যথেষ্ট। 


মনে রাখবেন: কাটা তরমুজ ফ্রিজে রাখার ক্ষেত্রে দরজার পরিবর্তে একটি শেলফ বেছে নিতে পারেন। এতে করে অনেক দিন তরমুজ ভালো থাকবে। সেই সাথে অবশ্যই মাঝেসাঝে কেটে রাখা তরমুজ চেক করতে ভুলবেন না কিন্তু। 


আশা করি উপরোক্ত টিপসগুলি ফলো করলে অনেকদিন পর্যন্ত ফ্রিজে রাখা তরমুজ খেতে পারবেন। এতে করে তরমুজে যেমন ব্যাকটেরিয়া জন্মানোর চান্স থাকবে না, ঠিক তেমনই ঠান্ডা ঠান্ডা তরমুজ ক্লান্তিকর দিনে জোগাবে বাড়তি প্রশান্তি। 


সুপার ডুপার সেলফি তোলার ১০ টি মাথানষ্ট টিপস 

কেনো তরমুজ চেনার উপায় সম্পর্কে জানা জরুরি? 

জেনে শুনে কেনো ভালো তরমুজ কিনবেন? যেনতেনো তরমুজ খেলেই বা কি ক্ষতি? এমন সব প্রশ্নের একটাই উত্তর এবং সেটি হলো স্বাস্থ্য উপকারিতা। আপনি কেমন তরমুজ নির্বাচন করছেন তার উপর নির্ভর করবে এই ফল আপনাকে কি কি স্বাস্থ্য উপকারিতা উপভোগের সুযোগ করে দেবে। ভালো, পাকা এবং বিষমুক্ত তরমুজে আপনি পাবেন: 


  • ফ্রি হাইড্রেশন নিশ্চিতকরণ 
  • পুষ্টিগুণে ভরপুর উৎস
  • কম ক্যালোরিতে অধিক উপকারিতা 
  • অ্যান্টিঅক্সিডেন্টসের চমৎকার উৎস
  • উচ্চ রক্তচাপ এবং কোলেস্টেরলের মেডিসিন 


ইতি কথা

আশা করি ভালো তরমুজ চেনার উপায় এবং কেনো ভালো তরমুজ খাবেন সে-সম্পর্কে জানতে পেরেছেন। মনে রাখবেন আমরা চাইলেই কিন্তু আমাদের স্বাস্থ্যের আরেকটু নিরাপত্তা কিংবা উন্নতি নিশ্চিত করতে পারি। 


সুতরাং যে অর্থ খরচ করছেন তার সাথে যেনো উপকারিতাও ব্যালেন্স করতে পারে তা নিশ্চিত করুন। ভালো তরমুজ বেছে নিন, মিষ্টি তরমুজ উপভোগ করুন। ভালো থাকুন। 


মোবাইলের আসক্তি তাড়ানোর কার্যকর ঔষধ জানুন এখনই 

Previous Post Next Post

{ads}