সুইডেনের রাজকন্যা ভিক্টোরিয়া ঘুরে বেড়াচ্ছেন বাংলাদেশের আনাচে-কানাচে
সুইডেনের (ক্রাউন প্রিন্সেস) রাজকন্যা ভিক্টোরিয়া ঘুরে বেড়াচ্ছেন বাংলাদেশের আনাচে কানাচে। সম্প্রতি নোয়াখালীর হাতিয়ায় জেলেপল্লি পরিদর্শন করেছেন এই রাজকন্যা।
বুধবার সকাল ৭টায় তিনি বুড়িরচর ইউনিয়নের কালিরচর গ্রামের জেলেপল্লি পরিদর্শন করেন। এর আগে ভোর সাড়ে ৬টায় হেলিকপ্টারযোগে কালিরচর গ্রামে অবতরণ করেন রাজকন্যা ভিক্টোরিয়া।
পরবর্তীতে তিনি কালিরচর গ্রামের বেড়িবাঁধের বাইরে জেলেপল্লি পরিদর্শন করেন। এ সময় জেলেদের জীবনমান নিয়ে তাদের সঙ্গে সরাসরি কথা বলেন রাজকন্যা।
স্থানীয় গৃহিণী ও গৃহকর্তাদের সঙ্গেও কথা বলতে ভুলেননি রাজকন্যা। সেই সাথে জানার চেষ্টা করেন এলাকার জেলে, কামার, কৃষক, ব্যবসায়ী, রাজনৈতিক কর্মীসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার লোকজনের অবস্থা।
জানা যায় এই সময় সংশ্লিষ্ট ব্যাক্তিরা রাজকন্যাকে হাতিয়ার নদীভাঙন, বেড়িবাঁধ, ঘূর্ণিঝড় ও দুর্যোগের বিভিন্ন স্থিরচিত্র দেখান। পরে সকাল ১০টার দিকে হেলিকপ্টার যোগে রাজকন্যা ভিক্টোরিয়া ভাসানচরের উদ্দেশ্যে রওনা দেন।
সুইডেনের রাজকন্যা ভিক্টোরিয়ার বাংলাদেশ ভ্রমণের কারণ
![]() |
সুইডেনের রাজকন্যা ভিক্টোরিয়া |
উল্লেখ্য জাতিসংঘের উন্নয়ন কর্মসূচি (ইউএনডিপি) এবং টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রার (এসডিজি) শুভেচ্ছাদূত হিসেবে ১৮ থেকে ২১ মার্চ পর্যন্ত বাংলাদেশ সফর করার প্ল্যান আছে রাজকন্যার।
গত সোমবার (১৮ মার্চ) সকালে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ভিক্টোরিয়াকে স্বাগত জানান পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ।
সংশ্লিষ্টজনেরা জানান রাজকন্যার এই সফরের উদ্দেশ্য বাংলাদেশের উন্নয়নযাত্রা সম্পর্কে জানা। জলবায়ু, লিঙ্গ সমতা, সবুজ ও ডিজিটাল রূপান্তর এবং ব্যবসায়িক খাতের ভূমিকার ওপর দৃষ্টি নিবদ্ধ করে এসডিজি বাস্তবায়নে অগ্রগতি ও চ্যালেঞ্জ সম্পর্কে ধারণা লাভ করতেই মূলত রাজকন্যা এই দেশ ভ্রমণে ফোকাস করছেন।
সুইডেনের রাজকন্যা ভিক্টোরিয়া সম্পর্কিত কিছু তথ্য
সুইডেনের রাজকন্যা ভিক্টোরিয়ার জন্ম ১৯৭৭ সালে। রাজা কার্ল XVI গুস্তাফের জ্যেষ্ঠ সন্তান হিসাবে সুইডিশ সিংহাসনের এই উত্তরাধিকারী ভিক্টোরিয়া ফ্রান্সের অ্যাঙ্গার্সে পশ্চিমের ক্যাথলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে এক বছর অধ্যয়ন করেছিলেন।
উল্লেখ্য ১৯৯৯ সালের মে মাসে, তিনি ওয়াশিংটন ডিসি ভিক্টোরিয়াতে সুইডিশ দূতাবাসে একজন ইন্টার্ন হিসাবে যুক্ত ছিলেন।