ads

 ভুল না বুঝে জানুন লোডশেডিং এর পেছনকার রহস্য 

লোডশেডিং কেনো হয় ঘন ঘন লোডশেডিং হওয়ার কারণ লোডশেডিংয়ের সমস্যা গ্রামে লোডশেডিং  কারেন্টের সমস্যা  লোডশেডিং এর খবর লোডশেডিং সমস্যার প্রতিকার  বাংলাদেশে লোডশেডিংয়ের আসল কারণ.jpg
লোডশেডিংয়ের আসল রহস্য

চাহিদামতো বিদ্যুৎ উৎপাদন করতে সর্বোচ্চ চেষ্টা করেও কিছুটা হিমশিম খেতে হচ্ছে পিডিবি সদস্যদের। কয়লা থেকে সর্বোচ্চ উৎপাদন করা হচ্ছে বিদ্যুৎ। 


ধারণা করা হচ্ছে এলএনজি টার্মিনাল চালু হলে গ্যাসের সরবরাহ বাড়বে বিদ্যুৎ খাতে। তেলচালিত কেন্দ্রগুলোকে উৎপাদন বাড়াতে ইতিমধ্যেই নির্দেশনা দেওয়া হচ্ছে। শিগগিরই পরিস্থিতির উন্নতি হবে বলে তিনি আশা করছেন সবাই। 


তবে এই উন্নতির পূর্বে দুই বছর ধরে গ্রীষ্ম মৌসুমে মারাত্বকভাবে লোডশেডিংয়ে ভুগছে মানুষ। অন্যান্য বছরের চাইতে এবার পরিস্থিতি আরও খারাপ হতে পারে। 


এরই মধ্যে এপ্রিলের শুরুতে দেশের বিভিন্ন গ্রামাঞ্চলের কোথাও কোথাও ৭ থেকে ৮ ঘণ্টা লোডশেডিং হতে শুরু করেছে। গরমে এই বিদ্যুতের চাহিদা বাড়লেও জ্বালানির অভাবে বিদ্যুৎ উৎপাদন করা যাচ্ছে না কোনোভাবেই। 


গবেষণা এবং তথ্য অনুযায়ী সারাদেশে এখন বিদ্যুৎ উৎপাদন সক্ষমতা প্রায় ২৬ হাজার মেগাওয়াট। 


গতকাল বুধবার দিনের বেলায় সর্বোচ্চ চাহিদা বেড়ে দাঁড়িয়েছে সাড়ে ১৫ হাজার মেগাওয়াটে। ওই সময়ে সরবরাহ ঘাটতি ছিল ২ হাজার মেগাওয়াটের বেশি, যা লোডশেডিং দিয়ে পূরণ করা হয়েছে। 


বলে রাখা ভালো এর পুরোটাই করা হয়েছে মূলত ঢাকার বাইরে, দেশের বিভিন্ন গ্রাম এলাকায়। এদিকে আগের দিন মঙ্গলবার দিবাগত মধ্যরাতে সর্বোচ্চ ১ হাজার ৮২৬ মেগাওয়াট লোডশেডিং ছিলো। 


তবে এখনো স্বস্তির বিষয় হলো ঢাকার বাইরে শহর এলাকায় লোডশেডিং তুলনামূলক কম। এমনটাই জানিয়েছে বিদ্যুৎ বিতরণ সংস্থা পিডিবি, নেসকো ও ওজোপাডিকো। 


যদিও কারিগরি কারণে কিছু কিছু এলাকায় বিদ্যুৎ বিভ্রাট হচ্ছে। গতকাল দিনে ডেসকোর সর্বোচ্চ চাহিদা ছিল ১ হাজার ১৬০ মেগাওয়াট ও ডিপিডিসির চাহিদা ছিল ১ হাজার ৮৫০ মেগাওয়াট। পুরোটাই সরবরাহ পেয়েছে তারা। 


বিদ্যুৎ বিভাগের এক হিসাবে দেখা যায়, সারা দেশে এক ঘণ্টা লোডশেডিং করা হলে প্রায় ৯৭৬ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ সাশ্রয় হচ্ছে। এই হিসাবে ২ হাজার মেগাওয়াট ঘাটতির জন্য দুই ঘণ্টার বেশি লোডশেডিং করতে হচ্ছে সরকারকে। যা পুরোপুরি বাধ্য হয়েই। 

Previous Post Next Post

{ads}