ads

বাজার দর কিভাবে বের করতে হয়: বন্ডের বর্তমান বাজার মূল্য কিভাবে বের করতে হয়

বাজার দর কিভাবে বের করতে হয়: বন্ডের বর্তমান বাজার মূল্য কিভাবে বের করতে হয়
সহজে বাজার দর বের করার নিয়ম

পণ্যের মূল্য, সরবরাহ ও বাজার পরিস্থিতি পর্যালোচনা সবকিছুর উপর মূলত বাজার দর বের করা হয় বা নির্ধারণ করা হয়। বাংলাদেশসহ বিভিন্ন দেশে বিভিন্ন প্রোডাক্টের দাম আগে থেকেই সরকারিভাবে নির্ধারণ করা হয়ে থাকে। 


তবুও যারা কারো সাহায্য ছাড়াই বাজার দর বের করতে চান তারা জেনে নিন বাজার দর কিভাবে বের করতে হয়। পাশাপাশি জেনে নিন বাজারে দাম কিভাবে নির্ধারণ করা হয় সে নিয়ে বেশকিছু মাথানষ্ট টেকনিক। 


বাজার দর কিভাবে বের করতে হয়?

মূলত সুদের হার, বিনিময় হার বা ভাড়ার হারের উপর নির্ভর করে বাজার দর বের করতে হয়। মনে রাখবেন একটি কোম্পানির বাজার মূল্য তার ব্যবসায়িক সম্ভাবনাকে সবসময় ফোকাস করে থাকে। 


অন্যদিকে সাধারণ মানুষদের বাজার দর কিভাবে বের করতে হয় তা জানতে হয় খরচ বাঁচিয়ে বাজার করার জন্যে। বাজার দর কিভাবে বের করতে হয় তা জানতে নিচের টেকনিকগুলি ফলো করুন: 


ক্যাটাগরি দেখুন

বাজার দর কিভাবে বের করতে হয় তা জানতে হলে শুরুতেই আপনাকে বের করতে হবে আপনার ইলেকট্রনিক্স, পোশাক বা মুদি ক্যাটাগরির মাঝে ঠিক কোন ক্যাটাগরির প্রোডাক্ট হিসাবে মার্কেটে আসবে। কারণ এই বিষয়টির উপর ভিত্তি করে বাজার দর সময়ে সময়ে ব্যাপকভাবে পরিবর্তিত হতে পারে। 


অনলাইন মার্কেটপ্লেসের সাহায্য নিন

আজকাল ঘরে বসেই সবকিছু বের করা সম্ভব। যেকোনো প্রোডাক্টের বর্তমান বাজার মূল্য বের করতেও আপনি এই অনলাইনের সাহায্য নিতে পারেন। ব্যবহার করতে পারেন অনলাইন মার্কেটপ্লেস। 


এক্ষেত্রে বিভিন্ন ই-কমার্স ওয়েবসাইটগুলিতে সাহায্য নিতে পারেন। যেমন, Amazon, eBay কিংবা Walmart। 


আর যারা দেশি প্রোডাক্ট বাংলাদেশে সেল করতে চান তারা দারাজ, ইভ্যালি কিংবা বিক্রয় ডট কমসহ বিভিন্ন ফেসবুকে পেইজের সাহায্য নিয়ে যেকোনো প্রোডাক্টের বর্তমান বাজার মূল্য বের করতে পারবেন। এই স্টেপে প্রাইজিংটা নোট করে নিতে পারলে কাজটা অনেক সহজ হয়ে যাবে। 


কম্পিটিটরদের নিয়ে রিসার্চ করুন

প্রধান প্রধান অনলাইন মার্কেটপ্লেসে পাওয়া দামের সাথে বিভিন্ন লোকাল সেলারদের দাম মিলিয়ে নিন। এক্ষেত্রে অনলাইনে যারা নিজেরাই নিজেদের প্রোডাক্ট সেল করছে তাদের কাছ থেকে আইডিয়া নিতে পারেন। 


অথবা অফলাইনে বিভিন্ন মার্কেট ঘুরে ঘুরে জেনে নিতে পারেন আপনার সেই নির্দিষ্ট প্রোডাক্টের কাজ। এক্ষেত্রে অবশ্যই সেসব প্রোডাক্টের বিশেষ অফার, ডিসকাউন্ট, বা বিভিন্ন অকেশনাল অফার সম্পর্কেও জেনে নেওয়াটা জরুরি। 


দামের তুলনা করুন

বাজার দর কিভাবে বের করতে হয় তা জানার আগে অবশ্যই আপনাকে জানতে হবে কিভাবে সহজে দামের তুলনা করা যায়। এক্ষেত্রে ম্যানুয়ালি আপনাকে কোনো হিসাবনিকাশ করে সময় নষ্ট করতে হবে না। 


এর পরিবর্তে আপনি ইজিলি ব্যবহার করতে পারেন Google শপিং, প্রাইসগ্র্যাবার, শপজিলার মতো ইজি ওয়েবসাইটগুলি। এসব ওয়েবসাইটে আপনি যেকোনো প্রোডাক্টের প্রাইজ সহজেই তুলনা করার সুযোগ পাবেন তাও আবার অনেক কম সময়ের মধ্যে। 


তবে যারা অফলাইনে দেশি প্রোডাক্ট নিয়ে কাজ করতে চান তাদের এসব ওয়েবসাইট ব্যবহারের পাশাপাশি লোকাল মার্কেটও ঘাঁটাঘাঁটির অভ্যাস থাকতে হবে। তাহলে বর্তমান বাজার মূল্য কিভাবে বের করতে হয় এসম্পর্কে প্রশ্নের জট আরো দ্রুত খুলে যাবে। 


বাজারের প্রভাব নিয়ে রিসার্চ করুন 

বাজার দর বের করার সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ স্টেপ হলো বাজারের প্রভাব নিয়ে রিসার্চ করা। কারণ এই বাজারের প্রভাব এর উপর বিভিন্ন প্রোডাক্টের প্রাইসিং ডিপেন্ড করে। এক্ষেত্রে সিজনাল চাহিদা, সাপ্লাই চেইন সমস্যা, অর্থনৈতিক অবস্থা এবং নতুন প্রোডাক্ট বের করা হচ্ছে কিনা সবকিছু নিয়ে ভালো আইডিয়া রাখতে হবে। 


টেনশনের কিছু নেই। এতোসব কাজ আপনি সহজেই ঘরে বসে অনলাইন এবং চ্যাটজিপিটির রিসোর্সের সাহায্য সেরে নিতে পারবেন। আর হ্যাঁ, ভবিষ্যতে আপনার এই প্রোডাক্টের দাম কেনো ওঠানামা করতে পারে সে-সম্পর্কে জানতে অডিয়েন্সের মতামত নিতে পারেন এবং মার্কেটের পুরোনো দিনগুলির উপর রিসার্চ শুরু করতে পারেন। 


অডিয়েন্সের মতামত নিন এবং ডেটা যাচাই করুন

সবশেষে প্রোডাক্টের বর্তমান বাজার মূল্য বের করতে হলে অডিয়েন্সের মতামত নিতে হবে এবং এতোক্ষণ পর্যন্ত যা রিসার্চ করলেন সব রিসার্চের ফল অর্থ্যাৎ ডেটা ঠিক আছে কিনা চেক করবেন। সেই সাথে মাথায় রাখবেন বিভিন্ন স্থানীয় কর, ন্যাশনাল কর, শিপিং খরচ, এবং যেকোনো অতিরিক্ত ফিয়ের ব্যাপারটা। 


বর্তমান বাজার মূল্য কিভাবে বের করতে হয়?

আশা করি এই ডিজিটাল যুগে সবচেয়ে কম সময়ে এবং সহজ উপায়ে বাজার দর কিভাবে বের করতে হয় সে-সম্পর্কে জানতে পেরেছেন। তবুও যারা কনফিউজড তারা আরেকটু মনোযোগ দিন। 


যেকোনো একটি প্রোডাক্ট ধরে অনলাইন এবং অফলাইন মার্কেটে প্রোডাক্টের প্রাইজ বের করুন। প্রাইজ যদি আলাদা হয় সব প্রাইজই নোট করুন। বিভিন্ন জনপ্রিয় প্ল্যাটফর্মগুলি ব্যবহার করে এসব প্রোডাক্টের প্রাইজ বের করার ট্রাই করুন। আর চেষ্টা করুন অডিয়েন্স দামাদামি করে কত প্রাইজ বলছে সেটিও নোট করার। 


এবার আপনি যে প্রাইজ লিষ্ট পেয়েছেন সেই লিস্টে এড করুন আপনার কম্পিটিটরের প্রাইজ। বর্তমানে তারা কততে সেল করছে, আগে কততে করতো এবং ফিউচারে কততে করার বা দাম কমানো কিংবা বাড়ানোর চান্স আছে কিনা তা নোট করুন। 


এখন আপনাকে প্রাইজ সব নিয়ে তুলনা করতে হবে। কাজটি ইজিলি করতে ব্যবহার করুন একটি ওয়েবসাইট। যার নাম Google শপিং। ফ্রিতে এই ওয়েবসাইটে সব প্রাইজ দিয়ে দেখুন ডিফারেন্স কত হচ্ছে। 


প্রাইজ নিয়ে রিসার্চ করা শেষ। বর্তমান বাজার মূল্য কিভাবে বের করতে হয় এ নিয়ে কনফিউজিংয়ের একেবারে লাস্ট অংশে চলে এসেছি আমরা। এবার আপনার মার্কেটের বাতাস বুঝতে লোকাল মার্কেট রিসার্চ করতে হবে। 


পাশাপাশি বাজারের এটার প্রভাব, প্রোডাক্টের চাহিদা এবং ভবিষ্যত অবস্থা কেমন হতে পারে সেটি রিসার্চ করে সব ডেটা চেক দিতে হবে। যদি ডেটাতে কোনো মিসটেক থাকে তা অবশ্যই ঠিক করে নিতে হবে। নয়তো ভুল বাজার দর ব্যবহারের কারণে আপনার বিজনেস লসের মুখে পড়তে পারে। 


বন্ডের বর্তমান বাজার মূল্য কিভাবে বের করতে হয়?

এবার আসি আজকাল দিনের সবচেয়ে কমন প্রশ্ন বন্ডের বর্তমান বাজার মূল্য কিভাবে বের করতে হয় সে ব্যাপারে। একটি বন্ডের বর্তমান বাজার মূল্য বের করাটা কিন্তু অতটা জটিল কাজ না। এক্ষেত্রে আপনাকে যা করতে হবে তা হলো বন্ডে থাকা বিভিন্ন ডেটা সংগ্রহ করতে হবে। এরপর: 


  • বন্ডের বর্তমান ট্রেডিং মূল্য খুঁজে পেতে বিভিন্ন নিউজপেপারে চোখ রাখুন
  • বিদেশি বন্ড চেক করতে ব্লুমবার্গ, ইয়াহু ফাইন্যান্স বা মার্কেটওয়াচ ব্যবহার করুন
  • আপ-টু-ডেট বন্ড মার্কেটের তথ্য রয়েছে এমন ব্রোকার ব্যাক্তিদের সাথে যোগাযোগ রাখুন
  • অনলাইন বন্ড ক্যালকুলেটর ব্যবহার করুন
  • বিভিন্ন বন্ড মার্কেট প্ল্যাটফর্মে যোগ দিন
  • সম্ভব হলে পাবলিক ফিনান্সিয়াল ডাটাবেস ব্যবহার করুন


ইতি কথা

আশা করি আজ থেকে বাজার দর কিভাবে সমাধান করব এ নিয়ে আর টেনশন করতে হবে না। কারণ আমরা ইতিমধ্যেই শেয়া করেছি যেকোনো প্রোডাক্টের বাজারে দাম কিভাবে নির্ধারণ করা হয়। কেমন লেগেছে আমাদের আজকের এই বাজার দর কিভাবে বের করতে হয় সম্পর্কিত গাইডলাইনটি। 


আশা করি উপরোক্ত টিপস ফলো করে ভালো একটি রিসার্চ রেজাল্ট তৈরি করতে পারবেন আপনিও। মনে রাখবেন যেকোনো বিজনেস লস করবেন কিনা তা অনেকটাই নির্ভর করে মার্কেট রিসার্চের উপর। সুতরাং এই বিষয়টাতে ফোকাস করা জরুরি। হ্যাপি মার্কেটিং! 

Previous Post Next Post

{ads}