ads

 ফ্রিতে গ্রাফিক্স ডিজাইনিং শিখে যেভাবে মাসে আয় করবেন ৩০/৪০ হাজার টাকা

ফ্রিতে কাজ শিখে গ্রাফিক্স ডিজাইনিং করে মাসে আয় করুন ৩০ থেকে ৪০ হাজার টাকা। ফ্রিতে কাজ শিখতে কি কি লাগবে, কতদিনে ইনকাম শুরু করতে পারবেন এবং প্রতিদিন কি পরিমাণ সময় দিতে হবে সবকিছু জানতে আমাদের আজকের এই আর্টিকেলটি পড়তো পারেন। যেখানে থাকছে গ্রাফিক্স ডিজাইনিং নিয়ে জানা-অজানা নানা প্রশ্নের উত্তর। 

গ্রাফিক্স ডিজাইন কি ও গ্রাফিক্স ডিজাইন কত প্রকার?

মূলত বিভিন্ন ডিজিটাল ডিজাইনিং কপি অর্থ্যাৎ ব্যানার, পোস্টার, লোগো, কভার ফটো, ক্যাপশন ফটো ইত্যাদিকে বলা হয় গ্রাফিক্স ডিজাইন। গ্রাফিক্স ডিজাইনিং বিভিন্ন ধরণের হতে পারে। প্রতিটি ভিন্ন ভিন্ন উদ্দেশ্যের কারণেই মূলত গ্রাফিক্স ডিজাইনিংয়ে এতো ভিন্নতক। চলুন তবে সংক্ষিপ্ত আকারে গ্রাফিক্স ডিজাইন কত প্রকার এবং কি কি হতে পারে সে-সম্পর্কে জেনে নিই:

১. ভিজ্যুয়াল আইডেন্টিটি গ্রাফিক্স ডিজাইন

ভিজ্যুয়াল আইডেন্টিটি গ্রাফিক্স ডিজাইন হলো মূলত কোম্পানি রিলেটেড ডিজাইন। এই ধরণের ডিজাইন সাধারণত একটি কোম্পানি বা পণ্যের উপর করা হয়ে থাকে। লোগো এবং ব্র্যান্ডিং ডিজাইনসসহ বিভিন্ন ডিজাইনকে এই ধরনের ভিজ্যুয়াল আইডেন্টিটি গ্রাফিক্স ডিজাইন আন্ডারে রাখা যায়। আর মিডিয়া হিসাবে এসব ডিজাইন পাবলিশড করার জন্য ব্যবহার করা হয় বিভিন্ন ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম।

২. মার্কেটিং এবং এড গ্রাফিক্স ডিজাইন

পোস্টার, ফ্লায়ার, ব্রোশার এবং বিভিন্ন এড ডিজাইন যেগুলি আমরা ফেসবুকেসহ বিভিন্ন ওয়েবসাইটে পেয়ে থাকি সেসব ডিজাইনকে আমরা মার্কেটিং এবং এড গ্রাফিক্স ডিজাইন কপি বলতে পারি। এই ধরনের ডিজাইনও বিভিন্ন প্রোডাক্ট, কোম্পানি বা সার্ভিসের মার্কেটিং করার জন্য ব্যবহার করা হয়ে থাকে। মূলত মেইন কন্সেপ্ট বা গুরুত্বপূর্ণ কথাবার্তা অথবা বিভিন্ন স্লোগান ও ক্যাপশনের সাহায্যে এসব ডিজাইনিংয়ের কাজগুলি করা হয়ে থাকে। 

৩. ইলাস্ট্রেশন এবং ইনফোগ্রাফিক ডিজাইন

বিভিন্ন ডেটাকে যখন ভিজুয়ালি তুলে ধরতে হয় কোনো ডিজাইনের মাধ্যমে তখন সেই ডিজাইন তৈরি করার টেকনিককে বলা হয় ইলাস্ট্রেশন এবং ইনফোগ্রাফিক। এই ধরণের ডিজাইন তৈরি করতে জানলে আপনি ডেটা, ধারণা বা গল্পের ভিজ্যুয়াল উপস্থাপনা তৈরি করতে পারবেন আরামসে। বলে রাখা ভালো বর্তমানে এই ধরণের ডিজাইনারদের চাহিদা অনেকটাই বেড়ে গেছে। 

৪. UI/UX গ্রাফিক্স ডিজাইন

গুগলে সার্চ করে কোনো কন্টেন্ট পাওয়ার পর আমরা যেসব ওয়েবসাইট চেক করি সে-সব ওয়েবসাইটের অনেক ওয়েবসাইটেই ব্যবহার করা হয় এই UI/UX গ্রাফিক্স ডিজাইন। ওয়েবসাইট, অ্যাপস এবং সফ্টওয়্যারের জন্য ইন্টারফেস তৈরিতে সাধারণত ডিজাইনারেরা এসব ডিজাইন করে থাকেন। যেমন ধরুন দারাজ! দারাজে প্রোডাক্ট অর্ডার করার পেজ, অর্ডার ট্র্যাক করার পেজসহ বিভিন্ন পেজ আছে যেসব পেজ সাধারণত ইউজারেরা ব্যবহার করে থাকে। আর গ্রাফিক্স ডিজাইনিংয়ের ভাষায় এসব ডিজাইনকেই বলা হয় UI/UX গ্রাফিক্স ডিজাইন। 

৫. মোশন গ্রাফিক্স ডিজাইন

বিভিন্ন এনিমেটেড লোগোসহ এনিমেটেড বিভিন্ন প্রোডাক্ট বা সার্ভিস রিলেটেড থিম ভিত্তিক ভিডিও ডিজাইনকে বলা হয় মোশন গ্রাফিক্স ডিজাইন। অ্যানিমেশন এবং ভিজ্যুয়াল এফেক্টের সাহায্যে তৈরি করা হয় এসব ডিজাইন কপি। বিভিন্ন ডিজিটাল মিডিয়ার জন্য এসব আকর্ষণীয় ভিজ্যুয়াল তৈরি করতে ব্যবহার করা হয় বিভিন্ন অ্যানিমেশন সফ্টওয়্যার। 

৬. পাবলিশিং গ্রাফিক্স ডিজাইন

আপনি যদি একজন গ্রাফিক্স ডিজাইনার হিসাবে বই, ম্যাগাজিন, সংবাদপত্র এবং অন্যান্য প্রকাশনার জন্য লেআউট ডিজাইন করার কথা ভাবেন তাহলে যেকোনো কোম্পানিতে আপনার পজিশন হবে পাবলিশিং গ্রাফিক্স ডিজাইনার। কারণ এই ধরণের কাজকে বলা হয় পাবলিশিং গ্রাফিক্স ডিজাইনিং। টাইপোগ্রাফিসহ বিভিন্ন পেজ ডিজাইন আইডিয়া নিয়ে এসব কাজ করতে হয়। 

৭. প্যাকেজিং গ্রাফিক্স ডিজাইন

বিডি চিপসে খেতে পছন্দ করেন? কখনো কি বিডি চিপসের প্যাকেজিং ডিজাইনটির দিকে লক্ষ্য করেছেন? যদি লক্ষ্য করেন তাহলে দেখবেন প্যাকেটের গায়ে খুব সুন্দর ডিজাইন করা। মূলত গ্রাফিক্স ডিজাইনিংয়ের ভাষায় এই কাজটিকে বলা হয় প্যাকেজিং গ্রাফিক্স ডিজাইন। স্ট্রাকচারাল ডিজাইন আইডিয়া এবং বিভিন্ন গ্রাফিক্সের সাহায্য নিয়ে করতে হয় এসব ডিজাইনিংয়ের কাজ। যার উদ্দেশ্য থাকে প্রোডাক্ট ডিটেইলস তুলা ধরা এবং ব্র্যান্ডিংয়ের উপর। 

গ্রাফিক্স ডিজাইন এর কাজ গুলো কি কি?

বিভিন্ন টাইপোগ্রাফি, ছবি এবং লেআউট ব্যবহার করে সাধারণত তৈরি করা হয় এসব গ্রাফিক্স ডিজাইন কপি। এবার আসি গ্রাফিক্স ডিজাইন এর কাজ গুলো কি কি সে ব্যাপারে। সোজা কথায় গ্রাফিক্স ডিজাইনিং কোর্স করে বা একজন গ্রাফিক্স ডিজাইনার হয়ে ভবিষ্যতে আপনি কি কি কাজ করতে পারবেন সে ব্যাপার জানুন:

এড ও মার্কেটিং: গ্রাফিক্স ডিজাইন এর কাজ গুলোর মধ্যে এড ও মার্কেটিং অন্যতম। বিভিন্ন মার্কেটিং কোম্পানিগুলো তাদের মার্কেটিং করার কাজে গ্রাফিক্স ডিজাইনারদের হায়ার করে থাকে। এক্ষেত্রে বিভিন্ন পোস্টার, এনিমেটেড ভিডিও কিংবা লোগোসহ বিভিন্ন ডিজাইন কপি তৈরির প্রয়োজন পড়ে। 

পাবলিশিং কোম্পানি: বিভিন্ন পাবলিশিং কোম্পানি তাদের কোম্পানি থেকে পাবলিশ হওয়া বিভিন্ন বইয়ের কভার, ম্যাগাজিন এবং সংবাদপত্রের জন্য লেআউট ডিজাইন করতেও গ্রাফিক্স ডিজাইনারদের হায়ার করে থাকে। আর বর্তমানে পিডিএফের তুমুল জনপ্রিয়তার কারণে এই ধরণের ডিজাইনারদের চাহিদা প্রুচর পরিমাণে লক্ষ্য করা যাচ্ছে। 

ডিজিটাল মিডিয়া: গ্রাফিক্স ডিজাইন এর কাজের সেক্টরগুলোর মধ্যে অন্যতম হলো ডিজিটাল মিডিয়া বা ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম। সোশ্যাল মিডিয়া গ্রাফিক্স, ওয়েবসাইট ডিজাইন এবং মোবাইল অ্যাপ ইন্টারফেস তৈরি করার মতো গুরুত্বপূর্ণ ডিজাইনিং কাজগুলি এই সেক্টরের আওতায় পড়ে। 

কর্পোরেট সেক্টর: কি? অবাক হচ্ছেন? ভাবছেন কর্পোরেট সেক্টরে আবার কিসের গ্রাফিক্স ডিজাইনার? আছে বস আছে! কর্পোরেট সেক্টরেও গ্রাফিক্স ডিজাইনারদের চাহিদা আছে। অনেক কোম্পানি নিজেদের জনপ্রিয়তা, ডিলিং এবং মার্কেটিংয়ের জন্য এই সেক্টরেও স্কিলড গ্রাফিক্স ডিজাইনার হায়ার করে থাকে। উপস্থাপনা, প্রতিবেদন এবং কর্পোরেট ব্র্যান্ডিংয়ের ক্ষেত্রে ভালো ডিজাইনিং টিম থাকলে কোম্পানি দ্রুত ভালোই ব্র্যান্ডিং নিশ্চিত করতে সক্ষম হয়। 

বিনোদন এবং মিডিয়া: গ্রাফিক্স ডিজাইনাররা বিনোদন শিল্পে সিনেমার পোস্টার, কনসার্ট, ইভেন্ট এর জন্য প্রচারমূলক ডিজাইনিং পোস্টার তৈরির কাজও করে থাকে। পাশাপাশি টেলিভিশন শো এবং অনলাইন স্ট্রিমিং প্ল্যাটফর্মের জন্য রেডি করে বিভিন্ন ডিজাইনিং ডিজাইনিং কপি। 

শিক্ষা এবং নন প্রোফিট সেক্টর: এই সেক্টরের গ্রাফিক ডিজাইনাররা বিভিন্ন শিক্ষামূলক উপকরণ, ইনফোগ্রাফিক্স, তহবিল সংগ্রহের প্রচারণা বা পোস্টার এবং সচেতনতা বৃদ্ধির উপর বেইজ করে বিভিন্ন ডিজাইন তৈরি করে থাকে। 

স্বাস্থ্যসেবা এবং সরকার: এই দুটো সেক্টরের গ্রাফিক ডিজাইনাররা জনসাধারণকে শিক্ষিত করতে বিভিন্ন পোস্টার, এনিমেশন ডিজাইন তৈরি করে। পাশাপাশি সরকারি নীতি ও কর্মসূচির সাথে সাধারণ জনগণকে পরিচয় করিয়ে দিতে তৈরি করে বিভিন্ন তথ্যমূলক ব্রোশিওর, পোস্টার এবং ডিজিটাল ডিজাইন। 

গ্রাফিক্স ডিজাইন শেখার ওয়েবসাইট

অনলাইনে আপনি গ্রাফিক্স ডিজাইন শেখার জন্য ভিডিও, অনলাইন কোর্স, এবং রিসোর্স পেয়ে যাবেন। এক্ষেত্রে গ্রাফিক্স ডিজাইন শেখার ওয়েবসাইট হিসাবে ব্যবহার করতে পারেন ক্যানভা, কোর্সেরা, স্কিল শেয়ার এবং এডোবি লার্নের জনপ্রিয় সব ওয়েবসাইট। এসব গ্রাফিক্স ডিজাইন শেখার ওয়েবসাইটে আপনি পেয়ে যাবেন কমপ্লিট গ্রাফিক্স ডিজাইনিং কোর্স। যা আপনাকে এই সেক্টরে প্রো’তে পরিণত করবে। 

ফ্রিতে কিভাবে করবো গ্রাফিক্স ডিজাইন কোর্স?

পকেটে টাকা নেই? কিন্তু হতে চান প্রো গ্রাফিক্স ডিজাইনার? সমস্যা নেই! অসংখ্য উপায় আছে। চলুন জেনে নিই ফ্রিতে কিভাবে করবেন গ্রাফিক্স ডিজাইন কোর্স: 

১. শুরুতে বেসিক বুঝুন। কালারসেন্স ভালো করুন। কোন কালারের সাথে কোন কালারটা মানাবে, কোন ডিজাইনে কোন ফন্টটা ভালো হবে তা বোঝার চেষ্টা করুন। আর এক্ষেত্রে অনলাইন সোর্স হিসাবে ব্যবহার করতে পারেন ক্যানভা ডিজাইন স্কুল, অ্যাডোব লার্ন বা YouTube টিউটোরিয়ালের মতো প্ল্যাটফর্মগুলি। 

২. ফ্রিতে গ্রাফিক্স ডিজাইন কোর্স করার ২ নাম্বার স্টেপে এসে আপনাকে যেকোনো ডিজাইনিং সফটওয়্যারের উপর স্কিলড হতে হবে। শুরুতে Canva, GIMP, বা Inkscape ট্রাই করতে পারেন। কারণ এসব সফটওয়্যার পুরোপুরি ফ্রি। পরে Adobe Photoshop, Illustrator, এবং InDesign এর মতো প্রফেশনাল ওয়েবসাইটে ফোকাস করতে পারেন। আর এসব সফটওয়্যার কিভাবে চালাতে হয় তা জানতে ইউটিউবের বিভিন্ন টিউটোরিয়ালের সাহায্য নিতে পারেন। 

৩. এরপর ডিজাইনের রুলস নিয়ে কাজ করুন। একটি ডিজাইনে ফন্ট, টাইপফেস এবং টেক্সট কিভাবে ব্যবহার করতে হয় সে সম্পর্কে জানুন। 

৪. টুকটাক ডিজাইন করতে জানলেই ভালো পোর্টফোলিওর জন্য পোস্টার, লোগো বা সোশ্যাল মিডিয়া গ্রাফিক্সের মতো বিভিন্ন ডিজাইন কপি করুন। অনলাইন ফোরাম বা Reddit এবং বিভিন্ন গ্রাফিক্স ডিজাইন শেয়ারিং প্ল্যাটফর্মে আপনার প্র্যাকটিস প্রজেক্টগুলি শেয়ার করতে থাকুন। 

৫. আপনি যে ডিজাইন সফ্টওয়্যার নিয়ে কাজ করেন সেই সফটওয়্যারের বিভিন্ন নতুন এবং কঠিন ফিচারগুলো ট্রাই করুন। এতে করে আপনার কাঁচা ডিজাইনিং হাত অনেক বেশি পাকা হয়ে উঠবে। এরপর নিজের পোর্টফোলিও তৈরিতে ফোকাস করুন। এক্ষেত্রে Behance বা Dribbble এর মত প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করতে পারেন।

৬. সবশেষে সোশ্যাল মিডিয়া বা ফোরামে ডিজাইন রিলেটেড বিভিন্ন কমিউনিটিতে যোগ দিন। আপনি যে কাজ পারেন সেটির শো অফ করতে থাকুন।

আশা করি উপরের ৬ টি টিপস ফলো করলে আপনি একদিকে যেমন ফ্রিতে গ্রাফিক্স ডিজাইনিং শিখতে পারবেন ঠিক তেমনই দ্রুত মার্কেটপ্লেসে কাজও পেয়ে যাবেন। আর যারা সরাসরি কোনো ফ্রি গ্রাফিক্স ডিজাইনিং কোর্স করতে চান তারা কোর্সেরা, ইডিএক্স বা খান একাডেমির মতো প্ল্যাটফর্মে থাকা বিনামূল্যের কোর্সগুলি ট্রাই করতে পারেন। আর হ্যাঁ! সফল হতে প্রতিদিন কমপক্ষে ৫/৬ ঘন্টা প্র্যাকটিস করার ট্রাই করুন। 

গ্রাফিক্স ডিজাইন করে কত টাকা ইনকাম করা যায়?

গ্রাফিক্স ডিজাইন করে কত টাকা ইনকাম করা যায় তা নির্ভর করবে আপনি কয়টি প্রজেক্ট পাচ্ছেন তার উপর। তবে বাংলাদেশে মোটামুটি মানের দেশি ক্লায়েন্ট বা বিদেশী ক্লায়েন্টের অর্ডার থাকলে গ্রাফিক্স ডিজাইনিং করে ৩০/৪০ হাজার টাকা ইজিলি ইনকাম করা যায়। এক্ষেত্রে নিয়মিত আপনাকে হয়তো ৫/৬ ঘণ্টারও বেশি সময় দেবার প্রয়োজন পড়তে পারে। 

গ্রাফিক্স ডিজাইন শিখতে কত দিন লাগে?

এবার আসি গ্রাফিক্স ডিজাইন শিখতে কত দিন লাগে সে ব্যাপারে। যারা এখন গ্রাফিক্স ডিজাইনিং সেক্টরে কাজ করছেন তাদের মতে গ্রাফিক্স ডিজাইন শিখতে মোটামুটি ৬ থেকে ১২ মাস সময় লাগতে পারে। তবে এই সময়টা পরিবর্তিতও হতে পারে। এক্ষেত্রে আপনি যদি প্রতিদিন ১০/১২ ঘন্টা সময় দিতে পারেন তাহলে দেখবেন মাত্র ৬ মাসে গ্রাফিক্স ডিজাইনার হয়ে উঠেছেন। তবে যদি এর পরিবর্তে দিনে মাত্র ২/৩ ঘন্টা সময় দেন তাহলে দেখবেন ২ বছরেরও বেশি সময় লাগছে একজন গ্রাফিক্স ডিজাইনার হয়ে উঠতে। 

গ্রাফিক্স ডিজাইনের জন্য কোন ল্যাপটপ ভালো হবে?

সবশেষে জানাবো গ্রাফিক্স ডিজাইনের জন্য কোন ল্যাপটপ ভালো হবে সে ব্যাপারে৷ মূলত যাদের বাজেট ভালো তারা স্মুথলি ডিজাইনিং করতে MacBook Pro, Dell XPS, বা HP Spectre ল্যাপটপগুলি কিনতে পারেন। আর যাদের বাজেট একদমই হাই না তারা এইচপি বা ডেলের সাধারণ মডেলের সেকেন্ড হ্যান্ড ভার্সনগুলি ট্রাই করতে পারেন। 

Previous Post Next Post

{ads}