মোবাইল দিয়ে ফেসবুক মার্কেটিং করে আয় করুন ঘরে বসে
মোবাইল দিয়ে ফেসবুক মার্কেটিং করে আজকাল আয় করা যাচ্ছে মাসে ৫০ হাজার থেকে ৩/৪ লাখ টাকা কিংবা তারও বেশি। শুনতে অবাক লাগলেও বিষয়টা মোটেও ফেলে দেবার মতো নয়। ফেসবুক ব্যবহার করে না এমন মোবাইল ইউজার আজকাল খুঁজে পাওয়া যাবে না।
আর এই বিরাট কমিউনিটিকে যদি বায়ারে তৈরি করা যায় তাহলে তো সব বিজনেসেই বাজিমাত! আসুন মোবাইল দিয়ে ফেসবুক মার্কেটিং সম্পর্কে বিস্তারিত জানি। জানার চেষ্টা করি কিভাবে কি করতে হবে।
মোবাইল দিয়ে ফেসবুক মার্কেটিং কিভাবে শুরু করবেন?
শুরুতে চলুন বিস্তারিত আলোচনা করা যাক এই জার্নি সম্পর্কে। মোবাইল দিয়ে ফেসবুক মার্কেটিং করতে হলে শুরুতে আপনাকে একটি বিজনেস পেজ তৈরি করতে হবে। আর এক্ষেত্রে ফলো করতে হবে নিচের স্টেপগুলি:
- গুগল প্লে স্টোর থেকে ফেসবুক অ্যাপ নিন
- আপনার অ্যাকাউন্টে লগ ইন করুন
- সরাসরি Pages Section অপশনে যান
- Create অপশনে ক্লিক করে নিউ পেজ খুলুন
- প্রোফাইল পিকচার এবং কভার ফটো সেট করুন
- প্রয়োজন অনুসারে সব বিজনেস ডিটেইলস দিতে শুরু করুন
- Call-to-Action বাটনে নিজের কন্টাক্ট লিস্ট এড করুন
টিপস: যারা প্রফেশনালভাবে এবং সম্পূর্ণ ফ্রিতে ফেসবুক পেজের জন্য কভার ফটো এবং প্রোফাইল পিকচার তৈরি করতে চান তারা ক্যানভা ব্যবহার করতে পারেন। এটি দিয়ে মোবাইলের সাহায্যেও ডিজাইন করতে পারবেন।
মোবাইল দিয়ে ফেসবুক মার্কেটিং করে কত টাকা আর্ন করা যায়?
মোবাইল দিয়ে ফেসবুক মার্কেটিং শুরু করার আগেই অনেকে আর্নিংয়ের ব্যাপারটা নিয়ে একটু কৌতুহলী থাকেন। ব্যাপারটাতে দোষের কিছুই নেই। আর্নিংয়ের পরিমাণ কত হতে পারে তা না জেনে কাজে বসে পড়াটাই মারাত্মক বোকামি। সুতরাং চলুন একেবারে সংক্ষিপ্ত আকারে মোবাইল দিয়ে ফেসবুক মার্কেটিং করে কত টাকা আয় করতে পারবেন সে ব্যাপারে জেনে নিই:
অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং: এই কাজটা করে আপনি প্রতি মাসে $১০০ থেকে $১০,০০০+ আয় করতে পারবেন। এক্ষেত্রে আপনাকে যা করতে হবে তা হলো ভালো একটি অ্যাফিলিয়েট প্ল্যাটফর্ম খুঁজে সেখানকার প্রোডাক্ট প্রমোট করতে হবে আপনার ফেসবুক পেজে কিংবা গ্রুপে৷ যত বেশি সেলস আসবে যতবেশি আর্ন করার সুযোগ পাবেন।
সার্ভিস কিংবা প্রোডাক্ট সেলিং: আপনি যদি কোনো বিজনেস করেন, প্রোডাক্ট বা সার্ভিস নিয়ে কাজ করেন সেক্ষেত্রেও মোবাইল দিয়ে ফেসবুক মার্কেটিং সিস্টেমকে কাজে লাগাতে পারবেন। প্রোডাক্ট এবং সার্ভিসের মার্কেটিং করে এক্ষেত্রে সেলসের উপর আর্ন করতে পারবেন প্রতি মাসে $৫০০ থেকে $২০,০০০+ এর মতো।
ফেসবুক অ্যাড: আমরা যখন ফেসবুকে কোনো ভিডিও কন্টেন্ট দেখি তখন মাঝেমধ্যেই বিরক্তিকর অ্যাডের মুখে পড়তে হয়। এসব অ্যাডকে আপনার কাছে বিরক্তিকর মনে হলেও কিন্তু পেজের মালিকদের বাড়তি আয়ের উৎস। যারা ভিডিও এডিটিং ভালো পারেন তারা এই ফেসবুক অ্যাড থেকে আর্ন করতে পারেন প্রতি মাসে $১০০ থেকে $৩০,০০০+ এর চাইতেও বেশি।
স্পনসর্ড ও ব্র্যান্ড পার্টনারশিপ: মোবাইল দিয়ে ফেসবুক মার্কেটিং করে প্রতি মাসে $৩০০ থেকে $১০,০০০+ আয় করতে চাইলে স্পনসর্ড ও ব্র্যান্ড পার্টনারশিপ করতে পারেন। এক্ষেত্রে আপনার পেজের নিশ বা ক্যাটাগরির সাথে মেলে এমন ব্র্যান্ডের প্রমোশন করুন।
গ্রুপ মনিটাইজেশন: শুধুমাত্র ফেসবুক পেজ থেকে নয়! আপনি চাইলে ফেসবুক গ্রুপ থেকেও আর্ন করতে পারেন। এক্সক্লুসিভ বা কোর্স সেলিং কোনো গ্রুপ খুলে তাতে সার্ভিস, প্রোডাক্ট বা কোর্স সেল করেও আর্ন করা যায়। এক্ষেত্রে সেলিংয়ের উপর ডিপেন্ড করে আপনার আর্নিং হতে পারে প্রতি মাসে $২০০ থেকে $৫,০০০+ এর চাইতেও বেশি।
ফেসবুক স্টারস: ফেসবুক স্টারস থেকেও মার্কেটারেরা প্রতি মাসে $১০০ থেকে $৫,০০০+ আয় করতে পারে, তাও ঘরে বসে। লাইভ স্ট্রিমিং চলাকালে যদি আপনার ফ্যানরা আপনাকে টাকা খরচ করে স্টার দেয় তবেই আপনি টাকা পাবেন।
এছাড়াও আপনি সবাইকে বিভিন্ন পরামর্শ দিয়ে, সার্ভিস সেল করে, রেডিমেড পেজ বা গ্রুপ সেল করেও ফেসবুক থেকে আর্ন করতে পারেন। তাছাড়া যারা ফেসবুক মার্কেটিং ভালো পারেন তারা নিজেদের সার্ভিস সেল করে মোবাইল দিয়ে ফেসবুক মার্কেটিংয়ের মাধ্যমে আর্ন করতে পারেন।
মোবাইল দিয়ে ফেসবুক মার্কেটিং করার আগে যা জানা প্রয়োজন
মোবাইল দিয়ে ফেসবুক মার্কেটিং করার আগে আপনাকে ফেসবুকের ব্যাপারে মোটামুটি সবকিছুই জানতে হবে। জানতে হবে ফেসবুকের সমস্ত ফিচার। বিশেষ করে:
১. Facebook Pages Manager অ্যাপ: ফেসবুকের সকল মার্কেটিং রিলেটেড এক্টিভিটি পরিচালনা করতে আলাদা একটি অ্যাপের সাহায্য নিতে পারেন এবং সেটি হলো Facebook Pages Manager অ্যাপ। এক অ্যাপ থেকে পেজের প্রতিটা ক্যাটাগরির ইনসাইট আপনি এই অ্যাপে পেয়ে যাবেন।
২. Facebook Ads Manager অ্যাপ: এই মার্কেটিংয়ের আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ অ্যাপ বা ফিচার হলো Facebook Ads Manager অ্যাপ। যারা বিভিন্ন পেইড দিয়ে মার্কেটিং করতে চান তারা এই অ্যাপ ইউজ করে ভালোই রেজাল্ট পেতে পারেন।
৩. স্টোরি: ফেসবুকের সবচেয়ে মারাত্মক এবং গুরুত্বপূর্ণ একটি ফিচার হলো স্টোরিজ। যা ২৪ ঘন্টা পর ভ্যানিস হয়ে যায়। আপনি বিভিন্ন অফার ডিল কিংবা ইন্টারেস্টিং পোস্ট বা নিউজ আপলোড করতে পারেন এই স্টোরিতে। দেখবেন ভালো এনগেজমেন্ট পাচ্ছেন।
৪. ম্যাসেঞ্জার: আমাদের আজকের এই মোবাইল দিয়ে ফেসবুক মার্কেটিং করার আর্টিকেলটি যারা পড়তে এসেছেন তারা নিশ্চয় ম্যাসেঞ্জার সম্পর্কে জানেন। কমিউনিকেশন মেইনটেইন করতে, গ্রাহকের সাথে চ্যাট করতে বা কোনো ম্যাসেজ দিতে ব্যবহার করুন ম্যাসেঞ্জার।
৫. লাইভ স্ট্রিমিং: এনগেজমেন্ট এবং রিচ বাড়াতে প্রতি সপ্তাহে একবার করে লাইভে যাওয়া জরুরি। এতে করে অডিয়েন্স আপনাকে রিয়েল মনে করবে, আপনার মার্কেটিং টেকনিক কাজে দেবে।
মোবাইল দিয়ে ফেসবুক মার্কেটিংয়ের জন্য তৈরি করুন আকর্ষনীয় পোস্ট
মনে রাখবেন, কন্টেন্ট ফেসবুক মার্কেটিংয়ের প্রাণ। অডিয়েন্সের মনোযোগ ধরে রাখতে, অডিয়েন্সকে আরঁ বেশি এনগেজড করতে দরকার ভালো ভালো ইন্টারেস্টিং কন্টেন্ট। আসুন এবারে ফেসবুকে পোস্ট করার জন্য মোবাইল-ফ্রেন্ডলি কন্টেন্ট তৈরির টিপস জেনে নিই:
- পোস্ট ছোট এবং ইজি রাখুন
- হাই কোয়ালিটি ইমেজ ব্যবহার করুন
- স্টোরিজ এবং রিলস আপলোড করুন
- পোস্ট শেষে ছোট্ট করে কন্টাক্ট ডিটেইলস দিন
- যেকোনো প্রোডাক্ট বা সার্ভিস প্রমোশন করুন
- ইমোজি এবং হ্যাশট্যাগ ব্যবহার করুন
- নিয়মিত পোস্ট আপলোডের অভ্যাস করুন
মোবাইল দিয়ে ফেসবুক মার্কেটিংয়ে ফেসবুক অ্যাড
যারা মোবাইল দিয়ে ফেসবুক মার্কেটিং করে দ্রুত অনেক বেশি টাকা আর্ন করতে চান তাদের দরকার পড়বে প্রচুর সেলস বা ক্লিক। আর এক্ষেত্রে লাগবে সবার কাছে একই টাইমে নিজের কন্টেন্ট পৌঁছানো। কাজটা সহজ করতে আপনি ফেসবুক অ্যাড সিস্টেম ব্যবহার করতে পারেন। আসুন ফেসবুক অ্যাড ইউজ করে মার্কেটিংকে আরো ক্রেজি বানানো স্টেপগুলি জেনে নিই:
১. Facebook Ads Manager অ্যাপ ডাউনলোড করে একটি একাউন্ট ওপেন করুন এবং সেই একাউন্টে লগইন করুন।
২. Create Ad অপশনে ক্লিক করে সেট করে নিন "ট্রাফিক," "এনগেজমেন্ট," বা "কনভার্সনস" কত চান সে পরিমাণটি৷
৩. এড তৈরি করার সময় দেখবেন অডিয়েন্সের আগ্রহ, আচরণ, অবস্থান এবং আরও অনেক কিছু এড করার সুযোগ আছে। সেগুলিও অ্যাড করে নিন।
৪. আপনার বাজেট এবং সময়সূচী সেট করে নিন। মনে রাখবেন এটি কিন্তু ফেসবুকের পেইড ফিচার। টাকা খরচ করে আপনাকে অ্যাড দিতে হবে।
৫. ফটো, ভিডিও, ক্যারোসেল, স্লাইডশো, বা কালেকশন যেকোনো ফরম্যাটে আপনি অ্যাড রান করতে পারবেন। সো ক্যাটাগরি অনুযায়ী রিসার্চ করে ফর্ম্যাট বাছাই করুন।
৬. সবশেষে যা সেট করেছেন তা ডাবল চেকিং করুন এবং Publish অপশনে ক্লিক করে পাবলিশ করে দিন৷
টিপস: রিসার্চ অনুসারে ভালো সাড়া পেতে অ্যাডে ভার্টিক্যাল বা স্কোয়ার ফরম্যাট ব্যবহার করা যেতে পারে। তাছাড়া অ্যাড রান করার আগে ভালো গ্রাফিক্স ডিজাইনার দিয়ে মোবাইল-অপ্টিমাইজড ল্যান্ডিং পেজ তৈরি করে নিতে ভুলবেন না।
মোবাইল দিয়ে ফেসবুক মার্কেটিং ম্যানেজ করতে ব্যবহার করতে পারেন যেসব অ্যাপ
মোবাইল দিয়ে ফেসবুক মার্কেটিং করতে হলে আপনাকে অনেককিছু ম্যানেজ করতে হবে। কখন কোন পোস্ট আপলোড করবেন তা সেট করতে হবে। কেমন অডিয়েন্সের জন্য কোন টাইপের পোস্ট আপলোড করবেন তা রিসার্চ করতে হবে৷ আর এই পুরো প্রসেসটাকে ভালোভাবে ম্যানেজ করতে চাইলে আপনাকে বিভিন্ন ম্যানেজম্যান্ট অ্যাপের সাহায্য নিতে হবে। আসুন তবে বেশকিছু মোবাইল দিয়ে ফেসবুক মার্কেটিং ম্যানেজ করার অ্যাপস নিয়ে আলোচনা করি:
হুটস্যুইট বা বাফার: হুটস্যুইট বা বাফার হলো এমন একটি অ্যাপ যার সাহায্যে আপনি পোস্ট সিডিউল করে রাখতে পারবেন। অর্থ্যাৎ এক টাইমে পোস্ট সিডিউল করে রাখবেন, আর পরবর্তীতে পোস্ট অটো আপলোড হতে থাকবে।
ক্যানভা: ভালো গ্রাফিক্স ছাড়া আজকাল পোস্ট কেউই পড়তে চায় না। সো ক্যানভা ইউজ করে আপনি মোবাইল দিয়েই তৈরি করতে পারেন ভালো ডিজাইন কপি। তাছাড়া এটি ব্যবহার করাটাও পুরোপুরি ফ্রি।
লেটার: লেটার অ্যাপটিও আপনি গুগল প্লে স্টোরে পেয়ে যাবেন এবং এটিও ফ্রি। এটি দিয়ে আপনি স্টোরি শিডিউল করে রাখতে পারবেন। ১ সপ্তাহের স্টোরি একসাথে শিডিউল করে রাখলে আপনি ওই টাইমে মার্কেটিংয়ের অন্য কাজে ফোকাস দিতে পারবেন৷
বিটলি: যারা অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং করে ফেসবুক থেকে ঘরে বসে আয় করতে চান তারা বিটলি অ্যাপ ব্যবহার করতে পারেন। এই অ্যাপ আপনাকে অনেক বড় লিংক ছোট করতে সাহায্য করবে।
যে কাজটি ছাড়া সফল হবে না মোবাইল দিয়ে ফেসবুক মার্কেটিং
মনে রাখবেন মার্কেটিং হলো একটি লং প্রসেস। সুতরাং আপনাকে সবসময় ফেসবুকের বিভিন্ন ফিচারের ব্যাপারে আপডেটেড থাকতে হবে। এক্ষেত্রে ফেসবুকের অফিসিয়াল ব্লগ ফলো করতে পারেন নিয়মিত। তাছাড়া ফেসবুক মার্কেটিং গ্রুপে এড থাকলেও বিভিন্ন আপডেটেড তথ্য পেয়ে যাবেন। সবশেষে বলবো যখনই কোনো নতুন ফিচার সম্পর্কে জানবেন তখনই তা সম্ভব হলে ট্রাই করবেন। এতে করে অন্যান্য কম্পিটিটরদের চাইতে এগিয়ে থাকার সুযোগ হবে।
মোবাইল দিয়ে ফেসবুক মার্কেটিং করার মাথানষ্ট কিছু টিপস
কথায় আছে সঠিক টেকনিক জানতে পারলে ১০০ দিনের কাজ ৫০ দিনে করা সম্ভব। মোবাইল দিয়ে ফেসবুক মার্কেটিং জার্নিটা অনেক বেশি লং হয়ে যেতে পারে, যদি না আপনি একটু ট্রিকি না হোন। এক্ষেত্রে জানতে হবে সহজকিছু টিপস এন্ড ট্রিক। বিশেষ করে মাথায় রাখতে হবে:
১. নিয়মিত পোস্ট করা জরুরি। প্রতিদিন অন্তত ৭ টা পোস্ট, সপ্তাহে ২ টা করে ভিডিও, কুইজ, নিয়মিত ৩ টা স্টোরি আপলোড করার চেষ্টা করুন। নিয়মিত নতুন আইডিয়া নিয়ে কাজ করুন। এক্ষেত্রে নিজে না পারলে চ্যাটজিপিটির সাহায্য নিন।
২. উইকেন্ডে আলাদা টাইপের পোস্ট করুন এবং ট্রেন্ড ফলো করেও মাঝেমধ্যে পোস্ট করুন। আগের পোস্টগুলি রিসার্চ করে দেখুন কোন টাইপের পোস্ট অডিয়েন্সের কাছে সবচেয়ে বেশি ভালো লাগছে। সে অনুযায়ী পরবর্তী মাসের শিডিউল তৈরি করুন।
৩. ফেসবুক স্টোরিজ ব্যবহার করে দ্রুত অডিয়েন্সের ব্রেইনে জায়গা করে নিন, মাসে অন্তত একবার লাইভে যান, মেসেঞ্জারের মাধ্যমে অডিয়েন্সের সাথে কানেক্টেড থাকুন।
৪. ফোকাস করতে হবে ইউজার জেন্রেটেড কন্টেন্ট বা UGC তে। এই ধরণের কন্টেন্টে কনটেস্ট এবং গিভঅ্যাওয়ের ব্যবস্থা করতে হয়, অডিয়েন্সকে রিভিউ দিতে উৎসাহিত করতে হয়।
৫. অবশ্যই কম্পিটিটরদের নিয়ে রিসার্চ করুন। আপনার কম্পিটিটর কোন ধরণের কন্টেন্ট দিচ্ছে তা রিসার্চ করুন এবং তাদের চাইতেও বেটার কিছু করার ট্রাই করুন।
৬. সবকিছু শুরু করার আগে একদিন সময় নিয়ে ফেসবুকে বিজ্ঞাপন এবং কনটেন্ট সম্পর্কিত নীতিমালাগুলি পড়ে নিন। যাদের ইংরেজি বুঝতে সমস্যা হয় তারা প্রয়োজনে ট্রান্সলেটরের সাহায্য নিন।
ইতি কথা
সবশেষে বলবো মোবাইল দিয়ে ফেসবুক মার্কেটিং করাটা আসলেই অসম্ভব কিছু নয়। তবে এক্ষেত্রে ২ টি সমস্যা দেখা দিতে পারে। একটি হলো ম্যানেজম্যান্টে জটিলতা….যেহেতু ছোট ডিভাইস এবং অন্যটি হলো প্রচুর সময় নষ্ট। সুতরাং শুরুর ৩/৪ মাস মোবাইলের সাহায্য ফেসবুক মার্কেটিং করে পরে পিসি বা ল্যাপটপে কাজ শুরু করে দিতে পারেন।
ধরে নেবেন এটি আপনার নতুন বিজনেসে একধরণের ইনভেস্টমেন্ট। পাশাপাশি যারা কাজ শুরু করতে চান তারা আগে কোর্স করে নেবেন। তবে ভাববেন না, এই কোর্স আপনি ঘরে বসে ফ্রিতে ইউটিউব বা গুগল থেকেও করতে পারবেন।