ads

না জানলে জেনে নিন খারাপ বন্ধু চেনার উপায় 

how-to-know-you-have-bad-friends.jpg

বন্ধুত্ব! সবচেয়ে পবিত্র এবং সুন্দর সম্পর্কগুলোর একটি। জীবনের অন্যতম মূল্যবান এই সম্পর্কও অনেক সময় প্রশ্নবিদ্ধ হয়। আর এক্ষেত্রে সবচেয়ে বড় ক্রিমিনাল হয়ে উঠে বন্ধু। খারাপ বন্ধুরাই মূলত বন্ধুত্বের মতো সুন্দর সম্পর্ক কলঙ্কিত হবার জন্য দায়ী। এই কলঙ্কিত বোঝা যদি আপনি কোনোভাবেই আর মাথায় নিতে না চান কিংবা ভবিষ্যতে নিজেকে আরো সচেতন রাখতে চান তবে জেনে নিন খারাপ বন্ধু চেনার উপায় কিংবা খারাপ বন্ধুর কমন কিছু ট্যাগলাইন৷ 

নেগেটিভিটি এবং সমালোচনা

দোস্ত দেখ, মেয়েটা দেখতে কি কালো, দোস্ত জানিস আসিফ কিন্তু পড়াশোনায় সবসময় ডাব্বা মারে! আপনার এমন কোনো ফ্রেন্ড কি এমনভাবে গসিপ করে আপনার সাথে? যদি এমনটা হয়ে থাকে তবে ধরে নেবেন তার মনে নেগেটিভিটি এবং সমালোচনার কোনো অভাব নাই। শুধুমাত্র চারপাশে থাকা মানুষগুলোকেই নয়, বরং সে মাঝেসাঝে আপনাকেও খোঁটা মেরে কথা বলতে পারে। টু বি অনেস্ট কিংবা ফান করে কথাবার্তা বলতে গিয়ে তারা দিনে ১০০ বার করে আপনার মনে আঘাত দিতে পারে। মনে রাখবেন খারাপ বন্ধু চেনার উপায় উপায় হিসেবে যদি কোনো ফ্রেন্ডের মাঝে এই নেগেটিভিটি এবং সমালোচনার সাইন দেখেন তবে ধরে নেবেন এই মুহুর্তেই তার সাথে আপনার বন্ধুত্বের কুরবানি করা ফরজ। 

স্বার্থপর আচরণ 

খারাপ বন্ধু চেনার উপায় হিসাবে আরেকটি পানির মতো সহজ উপায় হলো বন্ধুর স্বার্থপরতা টেস্ট করা। খারাপ বন্ধুরা সবসময় স্বার্থপর টাইপের হয়। মাথায় এদের সবার আগেই নিজের চিন্তা আসে। নিজের চাহিদা ও ইচ্ছার উপরই বেশি মনোযোগ দেয় এসব রেডফ্ল্যাগ বন্ধুরা। বন্ধুত্বে দেখবেন এই টাইপের তথাকথিত বন্ধুরা আপনার কথা একেবারেই শুনতে চাইবে না। অন্যদিকে তাদের রিকুয়েষ্ট যদি কোনো কারণে আপনি রাখতে না পারেন দেখবেন তারাই উল্টো আপনাকে ব্লেম করে বসে থাকবে। মোটকথা আপনার পছন্দ অপছন্দ কিংবা আপনার জীবনের প্রতি তাদের কোনো আগ্রহই নেই। কিন্তু তাদের প্রতি আপনি কি কি করতে পারেন, কি কি করার ক্ষমতা আপনার আছে এসবেই তাদের ফোকাস অনেক বেশি থাকবে। এভাবে দিন যেতে যেতে দেখবেন এই ধরণের বন্ধুদের কাছে আপনি চরমভাবে অপমানিত হচ্ছেন৷ গলায় আটকানো কাটা না পারছেন নামাতে, না পারছেন গিলে ফেলতে। সুতরাং এমন পরিস্থিতিতে পড়ার আগেই খারাপ বন্ধু চেনার উপায় সম্পর্কে সচেতন হোন এবং কেটে পড়ুন। 

সবকিছুতেই “না” 

প্রকৃত বন্ধুত্বের মিনিং হলো একে অপরকে সহযোগতা করা, একে অপরের পাশে থাকা। আর এটাই বন্ধুত্বের মেইন পিলার৷ কিন্তু দেখবেন খারাপ বন্ধুরা প্রয়োজনের সময় আপনার পাশে থাকছে না। সবসময় চারপাশে ঘুরঘুর করলেও দেখবেন বিপদের সময় তাদের টর্চ জ্বালিয়েও খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না। শুধু বিপদের সময়েই নয়। আপনি যখন সফল হবেন, সেই সফলতার অংশ হিসেবে আপনি যখন চিয়ার্স করবেন, সেলিব্রেট করবেন তখনও দেখবেন আপনার সেই মার্কামারা বন্ধুদের পাওয়া যাচ্ছে না। আর এক্ষেত্রে কারণ হিসেবে ধরে নেবেন তারা আপনার সফলতায় মারাত্মক লেভেলের জেলাস। যা প্রমাণ করবে আপনি আসলেই সফল। আর যদি এমন কোনো বন্ধু আপনার জীবনে থেকেও থাকে সে বন্ধুকে ঘাঁড় ধরে আপনার জীবন থেকে আউট করার দায়িত্ব কেবল আপনার। 

প্রতারণা এবং অধিকার খাটানো 

না! আমি কখনোই বলছি না বন্ধুর উপর অধিকার খাটানো যাবে না। অবশ্যই যাবে। বরং পরিবার কিংবা পরিচিতজনদের চাইতেও আমরা বন্ধুদের জীবনে সবচেয়ে বেশি অধিকার খাটাই। কিন্তু বস যখন দেখবেন আপনার বন্ধু আপনার সবকিছুতেই অধিকার খাটানোর নাম করে আপনার নিয়ন্ত্রণ করার চেষ্টা করছে তখন ধরে নেবেন আপনি গেছেন। কারণ খারাপ বন্ধু চেনার উপায় হলো সে আপনাকে অতিরিক্ত পরিমানে নিয়ন্ত্রণ করতে চাইছে কিনা তা বুঝতে পারা। পাশাপাশি খারাপ বন্ধু কিন্তু সবসময় প্রতারণাকে বেছে নেয়। মনে রাখবেন এই প্রতারণাই হলো বন্ধুত্বের বিষাক্ত এবং স্পষ্ট একটি ইঙ্গিত। তাদের প্রতারণা মাঝেমধ্যে এতোটাই জঘন্য হবে যে তারা রীতিমতো আপনাকে মেন্টালি ব্ল্যাকমেইল করে বসবে। যার কারণে তারাই জিতে যাবে কোনো এক অসুস্থ প্রতিযোগিতায়। 

প্রচন্ড জেলাসি 

যেখানে আপনাকে অন্য কারো সাথে আপনার বন্ধুর জেলাস ফিল করার কথা সেখানে যদি আপনার বন্ধু আপনার সাকসেস দেখে জেলাস ফিল করে তবে বুঝে নেবেন আপনি এখনো তার রিয়েল ফ্রেন্ড হয়ে উঠতে পারেননি। মূলত সত্যিকারের বন্ধুত্ব বিশ্বাস এবং পারস্পরিক সুখের উপর ভিত্তি করে তৈরি হয়। কিন্তু একজন খারাপ বন্ধু সাফল্য, অর্জনে পানি ঢেলে দিয়ে প্রচন্ডরকম জেলাসি রোগে ভোগে। বিষয়টা অনেক সময় এতোটাই মারাত্মক হতে পারে যে সে আপনার কোনো একটা সাকসেসফুল জার্নিতে নাক গলিয়ে সবকিছু ভেস্তে দিচ্ছে। পুরো বিষয়টাই আপনাকে যথেষ্ট ইনসিকিউরড করে তুলবে। সাথে ফ্রি অপমান এবং তুচ্ছতাচ্ছিল্যতা তো আছেই! 

পার্সোনাল স্পেস

প্রতিটি মানুষেরই পার্সোনাল স্পেস থাকা দরকার। আর এই স্পেসের সম্মান রাখাটা কিন্তু যে কোনো সম্পর্কের জন্য অপরিহার্য। কিন্তু একজন খারাপ বন্ধু সবসময়ই আপনার সেই পার্সোনাল স্পেসে না গলাবে। যার কারণে সাইকোলজি এক্সপার্টরা খারাপ বন্ধু চেনার উপায় হিসাবে অন্যসব পয়েন্টের পাশাপাশি রেখেছেন এই পার্সোনাল স্পেসের পয়েন্টটিও। আপনি যদি নিজের ইচ্ছেন বিরুদ্ধে কখনো আপনার সময়ের উপর অতিরিক্ত দাবি করা বা আপনার অনুভূতিকে উপেক্ষা করার মতো সম্পর্কে থাকেন তবে বুঝে নেবেন আপনার দিনকাল কাটবে চরম অস্থিরতায়। যা কখনোই কাম্য নয়। তাছাড়া এই ধরণের পরিসাজ আপনার স্বাভাবিক লাইফস্টাইলেও নেগেটিভ এফেক্ট ফেলবে। সুতরাং যারা এমন অস্বস্তিকর ফ্রেন্ডশিপে আছেন তারা এখনই কেটে পড়ুন। 

প্রমিজ ভাঙা

আপনার বন্ধুত্বের সম্পর্কে কি বিশ্বাস ভাঙা কিংবা প্রমিজ ভাঙার বিষয়টি দুধভাত হয়ে গেছে? যদি হয়ে থাকে তবে ধরে নেবেন আপনি একটি অস্বাভাবিক এবং নেগেটিভ সম্পর্কে আছেন। একজন খারাপ বন্ধু মাঝেমধ্যেই আপনার বিশ্বাস ভাঙবে, আপনার সাথে করা যেকোনো বিষয়ের উপর প্রমিজকে তোয়াক্কা করবে না। এটা হতে পারে শেষ টাইমে এসে ট্যুর প্ল্যান ক্যান্সেল করা, গোপন কথা কারো সাথে শেয়ার করে ফেলা কিংবা আপনার আস্থায় ইট ভাঙা। মনে রাখবেন বিশ্বাস হলো বন্ধুত্বের ভিত্তি। এবং বারবার ভাঙা প্রতিশ্রুতি সেই বিশ্বাসকে চরমভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করতে পারে।

কথা বলবে পেছনে 

খারাপ বন্ধু চেনার উপায় হিসাবে আপনি এই পেছনে কথা বলার বিষয়টিও মাথায় রাখতে পারেন। মনে রাখবেন যে বন্ধু সবসময় অন্যদের নিয়ে আপনার গসিপ করে, অন্যের সমালোচনা করে সে কিন্তু আপনার অনুপস্থিতিতে আপনার নামেও অন্যের কাছে সমালোচনা করতে পারে। এটা অস্বাভাবিক কিছু নয়। কারণ অসৎ কাজ করতে করতে একসময় মানুষ সে কাজকে স্বাভাবিকভাবেই গ্রহণ করে বসে। আর এমনটা যদি হয় সেক্ষেত্রে বলবো আপনার বন্ধুত্বের দিক দিয়ে খুব একটা লাকি হয়ে উঠতে পারেননি। নিজেকে নিজেই ঠকিয়েছেন খুব খারাপভাবে। 

প্রতিযোগী মনোভাব 

মনে রাখবেন বন্ধুত্বে কিন্তু কোনো প্রতিযোগিতা থাকতে পারে না। যদি কখনো দেখেন যেকোনো ক্ষেত্রে আপনার বন্ধু আপনাকে কম্পিটিটরের চোখে দেখছে ধরে নেবেন সে আপনার বন্ধু হবার যোগ্যতা বহু আগেই হারিয়েছে। কারণ একজন খারাপ বন্ধু প্রতিটি দিকেই আপনাকে ছাড়িয়ে যাওয়ার চেষ্টা করবে। আপনি যার উপর আস্থা রাখার চেষ্টা করছেন সে যদি এমনটা করে আপনি যথেষ্ট খারাপভাবেই ক্ষতিগ্রস্ত হবেন। এমনকি এই চক্করে পড়ে আপনি আপনার সারাজীবন দেখে আসা স্বপ্নকেও ভেঙে যেতে দেখবেন। যাইহোক যদি কখনো দেখেন আপনার বন্ধু আপনার সাথে খুব হার্ডলি কম্পিট করার চেষ্টা করছে এবং একই কম্পিটিশনে আপনার এফোর্টকে তুচ্ছতাচ্ছিল্য করছে, ধরে নেবেন এটাই সঠিক সময় আপনার জীবনের খাতা হতে তার নাম মুছে ফেলবার! 

মানসিকভাবে ক্লান্তিবোধ 

বন্ধুর সাথে সময় কাটিয়ে কি সবসময় বাড়ি ফিরর মানসিকভাবে ট্রামাটাইজড হয়ে পড়েন? কখনো কি এমন হয়েছে যে বন্ধুর সাথে কথা বলার কারণেই আপনি মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছেন? এমনটা যদি হয়ে থাকে ধরে নেবেন সে আপনার মানসিকভাবে স্ট্রং করার পরিবর্তে মানসিকভাবে আপনাকে বিপর্যস্ত করে তুলছে। যে বন্ধুত্ব আপনার থেকে বেশি নিচ্ছে এবং কিন্তু আপনাকে কম দিচ্ছে সে বন্ধুত্ব আসলে বাঁচিয়ে রাখাটাই বড্ড ঝামেলার। সুতরাং নিজের ফিলিংসকে এতো না পেঁচিয়ে সরাসরি তাকে জানিয়ে দিন তার সাথে আপনি আর আপনার বন্ধুত্ব রাখতে চান না। তা যত দ্রুতই সম্ভব! 

বন্ধুর মাঝে থাকা বিষাক্ত আচরণ বোঝার উপায়

খারাপ বন্ধু চেনার উপায় সম্পর্কে তো জানলেন। কিন্তু কাজটা কি কি আদৌ সহজ? হ্যাঁ সহজ। যদি জানেন সহজ এবং সঠিক নিয়ম। বন্ধুর মাঝে থাকা বিষাক্ত আচরণ বোঝার কিছু মাথানষ্ট উপায় হলো: 

১. নিজের ফিলিংস বুঝুন। আপনার বন্ধুর সাথে সময় কাটানোর পর আপনি কেমন ফিল করছেন আর তার আগে কেমন ফিল করতে তা বোঝার চেষ্টা করুন। যদি নেগেটিভ এফেক্ট পড়ে আপনার ফিলিংসের উপর, তবে দ্রুত সেই বন্ধুত্বের পাঠ চুকিয়ে দিন। 

২. আপনার সেই প্রিয় বন্ধুকে দেখে কি আপনার কনফিডেন্ট লেভেল জিরোতে নেমে আসে? যদি নেমে আসে ধরে নিন আপনার জীবন এখানেই ধ্বংস হতে চলেছে। সুতরাং তাড়াতাড়ি কেটে পড়ুন। 

৩. খারাপ বন্ধু চেনার উপায় হিসেবে বন্ধুন আচরণ জাজ করাটা অনেক জরুরি। এক্ষেত্রে দেখুন এবং বোঝার চেষ্টা করুন আপনার বন্ধু আপনার ফিলিংসকে কতটুকু গুরুত্ব দিচ্ছে বা দেওয়ার চেষ্টা করছে। আপনার প্রতিত্তোরকে সে পজেটিভলি নিচ্ছে কিনা। 

৪. দেখুন আপনার বন্ধুত্বের মাঝে ব্যালেন্স ঠিক আছে কিনা। অনেক সময় দেখা যায় কেবল এক পক্ষের লোক সবসময় বন্ধুত্ব টিকিয়ে রাখতে চায়। আর আপনি যদি সেই কাতারে পড়েন এবং আপনার বন্ধু যদি আপনার সাথে আপনার বন্ধুত্ব টিকিয়ে রাখতে সাহায্য না করে দ্রুত সরে আসুন। 

৫. বন্ধুর কাছ থেকে পর্যাপ্ত সম্মানটুকু আপনি পাচ্ছেন তো? যদি না পান ধরে নেবেন সে আপনার বন্ধু হবার যোগ্যতা রাখে না। কারণ বন্ধুত্ব হোক কিংবা অন্য যেকোনো সম্পর্ক হোক সম্মানের দিকটা বজায় রাখা সবচেয়ে বেশি জরুরি। 

৬. আপনার সাফল্যে আপনার বন্ধুর রিয়েকশন কেমন দেখুন। সে যদি জেলাস ফিল না করে তবে ঠিক আছে। কিন্তু বস সে যদি কোনোভাবেই আপনার সফলতা সহ্য করতে না পারে তবে ধরে নেবেন সে বন্ধু বেশে আপনার সাথে শত্রু হয়ে আছে। আরেক দল আছে। যাদের কাজই কেবল বন্ধুর ভুল ধরা… কিন্তু বন্ধুর যেকোনো অর্জনের ব্যাপারে উদাসীন থাকা। এই ক্যাটাগরির প্রাণীদের কাছ থেকেও ১০০০ হাত দুরত্ব বজায় রাখবেন৷ 

৭. আপনার যে তথাকথিত বন্ধুটি আপনার কাছে অন্যের বদনাম গেয়ে বেড়ায় তাকে কখনোই বিশ্বাস করতে যাবেন না। আপনার সে বন্ধুটির যদি এমন মাসুদমার্কা আচরণ থাকে, অবশ্যই ধরে নেবেন সে আপনার নামেও অন্যদের কাছে বদনাম করে বেড়ায়। পার্থক্য কেবল সেসময় আপনি তার সাথে থাকেন না। মনে রাখবেন এই ধরনের আচরণ সততা এবং বিশ্বাসযোগ্যতার অভাব মিন করে। 

ইতি কথা

খারাপ বন্ধু চেনার উপায় এবং কি কি পয়েন্ট পেলে ধরে নেবেন আপনার বন্ধুটি খারাপ সে-সম্পর্কে তো জানলেন। এবার সরাসরি এসব জ্ঞান প্রয়োগের পালা। মনে রাখবেন আপনার চারপাশটা যাদের ঘিরে আবর্তিত তারা যদি পজেটিভ না হয় তবে আপনার জীবন ধ্বংস ৯০% চান্স থাকে। তাছাড়া বন্ধুত্বের গভীরতা বেড়ে গেলে তা ভাঙতে যাওয়াটা অনেক কঠিন হয়ে পড়ে। সুতরাং সময় থাকতে নিজেকে গুটিয়ে নিন। আবার নিজেকে গুটিয়ে নিতে গিয়ে কোনো প্রতারণার আশ্রয় নিতে যাবেন না। নইলে কিন্তু তার কাছেই আপনি খারাপ বন্ধু বনে যাবেন। তা না করে সরাসরি বন্ধুর সাথে কথা বলুন, কারনগুলি জানিয়ে দিন৷ এরপর আস্তে আস্তে কেটে পড়ুন। 

Previous Post Next Post

{ads}