ads

মোবাইল ফোন সম্পর্কে ১০ টি বাক্য

বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বিশেষ করে স্কুল পর্যায়ের পরীক্ষাগুলিতে অনেকসময় মোবাইল ফোন সম্পর্কে রচনা লিখতে বলা হয়। এক্ষেত্রে মোবাইল ফোন সম্পর্কে ১০ টি বাক্য কিংবা মোবাইল ফোন সম্পর্কে খুঁটিনাটি তথ্য জানা থাকলে খুব সহজেই সুন্দর একটি রচনা কিংবা প্রেজেন্টেশন তৈরি করা যায়। তা ছাড়া এই মোবাইল ফোন সম্পর্কে ১০ টি বাক্যে অনেকসময় এমনকিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাওয়া যায় যা হয়তো আগে থেকে জানাই ছিলো না! সুতরাং চলুন মোবাইল ফোন সম্পর্কে ১০ টি বাক্য কিংবা গুরুত্বপূর্ণ তথ্য জেনে নিই এখনই! 

10-facts-about-mobile-phones.jpg

মোবাইল ফোন সম্পর্কে ১০ টি বাক্য

১. মোবাইল ফোনের যাত্রা শুরু হয়েছিল ২০ শতকের গোড়ার দিকে। কিন্তু প্রথম হাতে ধরা মোবাইল ফোনটি ১৯৭৩ সালে মার্টিন কুপার নামে একজন ইঞ্জিনিয়ার দ্বারা আবিষ্কৃত হয়। এই ভদ্রলোক আবার মটোরোলায় কাজ করতেন। 


২. মোবাইল প্রথম দিকের যন্ত্রটি আজকের ফোনগুলির তুলনায় অনেক বড় ছিল। যার ওজন ছিল প্রায় ১.১ কিলোগ্রাম এবং দৈর্ঘ্য ছিল ১০ ইঞ্চির বেশি। কিন্তু মজার ব্যাপার হচ্ছে সেসময় এই বিশাল আকারের ডিভাইসটি দিয়ে শুধুমাত্র কল করা যেতো। তাছাড়া এই ডিভাইসের ব্যাটারি ছিল মাত্র ৩০ মিনিটের জন্য। আবার পরে চার্জ দিতে হতো ১০ ঘণ্টা ধরে! 


৩. পৃথিবীর প্রথম মোবাইল ফোনের নাম মটোরোলা ডাইনা ট্যাক ৮০০০এক্স। এটি ১৯৮৩ সালে বাজারে আসে। এই ফোনে সেসময় চলাফেরার সময় কথা বলার সুযোগ ছিলো৷ আবার দামের দিক দিয়ে এই ফোন সাধারণ মানুষের নাগালের বাইরে ছিল। 


৪. মোবাইল ফোনের সাহায্যে কিন্তু শুরু টেক্সট করা যেতো না। বিশ্বে ১৯৯০ এর দশকে এসএমএস (টেক্সট মেসেজিং) এবং এমএমএস (মাল্টিমিডিয়া মেসেজিং) চালু হয়। 


৫. ২০০০-এর দশকের গোড়ার দিকে, মোবাইল ফোনগুলোতে ইন্টারনেটের বেসিক ফাংশন যুক্ত হতে শুরু করে। পরে ২০০৭ সালে স্মার্টফোনের আগমন ঘটে। যার টাচস্ক্রিন এবং ইন্টারনেট অ্যাক্সেস দেখে মানুষ হুট করেই পরিবর্তিত হতে শুরু করে। বাজারে আসে ট্যাব, টাচস্ক্রিন ল্যাপটপসহ কতশত ডিভাইস! 


৬. মোবাইল ফোন মূলত বেতার যোগাযোগের ডিভাইস হিসাবে কাজ করে। রেডিও তরঙ্গ ব্যবহার করে কাজ করার কারণে আপনি যখন কোনো ফোন কল করেন, তখন আপনার কণ্ঠস্বর ডিজিটাল সংকেতে রূপান্তরিত হয়। এই তরঙ্গ আবার রেডিও তরঙ্গের মাধ্যমে কাছের মোবাইল টাওয়ার পর্যন্ত যায়। মোবাইল টাওয়ার তখন কলটি বিভিন্ন নেটওয়ার্কের মাধ্যমে পাঠিয়ে দেয় এবং কলটি যে ব্যক্তির কাছে পাঠানো হয়েছে তার মোবাইল ফোনে পৌঁছে যায়।


৭. জানেন কি ফোনে থাকা প্রসেসর বক সিপিইউকে বলা হয় ফোনের ব্রেন। 


৮. মোবাইল ফোন বিভিন্ন ধরনের সেলুলার নেটওয়ার্ক ব্যবহার করে কাজ করে। যার কারণে মোবাইল নেটওয়ার্কের কিন্তু অনেক প্রকারভেদ রয়েছে। বর্তমানে ২জি, ৩জি, ৪জি, এবং ৫জি পর্যন্ত নেটওয়ার্ক সিস্টেম পাওয়া যাচ্ছে। 


৯. পৃথিবীতে যত ফোন আছে প্রায় সব মোবাইল ফোনেই মাত্র দুটি প্রধান অপারেটিং সিস্টেম ব্যবহৃত হয়! এগুলি হলো অ্যান্ড্রয়েড এবং আইওএস। এখন পর্যন্ত গুগলের দ্বারা তৈরি অ্যান্ড্রয়েড বিশ্বের সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত মোবাইল অপারেটিং সিস্টেম। অন্যদিকে অ্যাপলের দ্বারা তৈরি আইওএস শুধুমাত্র আইফোন এবং অন্যান্য অ্যাপল ডিভাইসগুলিতে ব্যবহৃত হয়ে থাকে। 


১০. বর্তমান সামাজিক প্রভাব অনুযায়ী ইতিবাচক দিক থেকে, মোবাইল ফোন যোগাযোগকে সহজ ও দ্রুত করেছে ঠিকই তবে ফোনের মাত্রাতিরিক্ত ব্যবহার সাইবার বুলিং এবং বিভিন্ন আসক্তির মতো নানান সমস্যারও সৃষ্টি করেছে।


ইতি কথা

আশা করি এই মোবাইল ফোন সম্পর্কে ১০ টি বাক্যগুলি থেকে আপনি আপনার প্রয়োজনীয় তথ্য কিংবা পয়েন্ট খুঁজে নিতে পারবেন। এসব পয়েন্ট বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলত পরীক্ষা প্রাসঙ্গিকতার সাহায্যে তুলে ধরতে পারলে এক্সট্রা মার্কস তোলা অনেক সহজ হবে। পাশাপাশি সামনের দিনগুলোতে মোবাইলের আরও নতুন উদ্ভাবন এবং উন্নতি নিয়ে সব লেটেস্ট তথ্যের ব্যাপারেও আপডেট থাকা দরকার। এক্ষেত্রে আমাদের এই আইটিনোট বিডি ওয়েবসাইটে নিয়মিত চোখ রাখতে পারেন। আশা করি এই ওয়েবসাইটের বিভিন্ন তথ্য আপনাকে বিন্দু পরিমাণে হলেও সহায়তা করতে সক্ষম হবে। 

Previous Post Next Post

{ads}